ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
Bengali Journal
ট্রেন্ডিং

হে পথহারা বান্দা, ফিরুন আপনার রবের দিকে: পরম করুণাময়ের ক্ষমা ও দয়ার এক অনন্ত মহাসমুদ্র

পাপের অন্ধকার গহ্বরে হারিয়ে গিয়ে আপনার কি মনে হচ্ছে যে আপনি শেষ হয়ে গেছেন? প্রতিনিয়ত ভুলের সাগরে ডুবতে ডুবতে বুকটা কি অপরাধবোধে ভারী হয়ে উঠেছে? গভীর রাতে যখন চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে যায়, তখন কি ভেতরের বিবেক আপনাকে দংশন করে আর মনে হয়—"আমার মতো এত বড় পাপীকে কি আল্লাহ আর কোনোদিন ক্ষমা করবেন? আমি যে হাত তোলার যোগ্যতাও হারিয়ে ফেলেছি!"যদি আপনার মনে এমন একাকীত্ব, হতাশা আর নিরাশা কাজ করে থাকে, তবে আজকের এই লেখাটি আপনার জন্যই। এই লেখাটি কোনো তর্জন-গর্জন বা ভয়ের বার্তা নয়, বরং এটি আপনার ভাঙা হৃদয়ে আশার আলো জ্বালানোর এক পরম ভালোবাসার আহ্বান। আপনি যত বড় পাপই করে থাকুন না কেন, আপনার রব—পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তায়ালা আপনার চেয়েও কোটি গুণ বেশি ক্ষমাশীল ও দয়ালু।শয়তানের সবচেয়ে বড় ফাঁদ: নিরাশাশয়তান আপনাকে দিয়ে শুধু পাপই করায় না, পাপ করানোর পর আপনার মনে এই কুচিন্তা ঢুকিয়ে দেয় যে—"আল্লাহ তোমাকে আর ভালোবাসেন না, তোমার ফেরার সব পথ বন্ধ।" কিন্তু এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। শয়তানের এই ফাঁদে পা দিয়ে আল্লাহর রহমত ও দয়া থেকে নিজেকে বঞ্চিত করবেন না।শুনুন আপনার দয়ালু রব আপনাকে কতটা ভালোবাসেন! তিনি পবিত্র কুরআনের সূরা আজ-জুমার-এর ৫৩ নম্বর আয়াতে কোনো রাগ বা ক্ষোভ ছাড়াই, অত্যন্ত আদর করে আপনাকে 'বান্দা' বলে ডেকে বলেছেন:"বলুন (হে নবী), হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের প্রতি অবিচার (পাপ) করেছ, তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।"সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ কিন্তু বলেননি যে হে পুণ্যবানরা এসো। তিনি ডেকেছেন যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছে, যারা পাপে নিমজ্জিত হয়েছে তাদেরকে। তিনি বলছেন—"নিরাশ হয়ো না।" এর চেয়ে বড় আশার বাণী আর কী হতে পারে?আপনার পাপ যত বড়, তাঁর ক্ষমার সমুদ্র তার চেয়েও বড়আমরা মানুষ, আমাদের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ, তাই আমাদের পাপের সংখ্যাও একসময় ফুরিয়ে যাবে। কিন্তু মহান আল্লাহর ক্ষমার কোনো সীমা নেই, তা অসীম।রাসুলুল্লাহ (সা.) হাদীসে কুদসীতে পরম রবের এক অভূতপূর্ব ক্ষমার ঘোষণা আমাদের শুনিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন:"হে আদম সন্তান! তুমি যদি আকাশ ছোঁয়া পাপ নিয়ে আমার কাছে উপস্থিত হও এবং আমার সাথে কাউকে শরীক না করে ক্ষমা চাও, আমি তোমার সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেব, আমি কোনো পরোয়া করি না।" (তিরমিযী)একটু বুক ভরে শ্বাস নিয়ে ভাবুন তো, যিনি আকাশের সমান পাপও এক নিমেষে ধুয়ে মুছে দিতে পারেন, তিনি কতটা দয়ালু! আপনি হয়তো মানুষের চোখ ফাঁকি দিয়ে পাপ করেছেন, মানুষ জানলে আপনাকে সমাজ থেকে তাড়িয়ে দিত, ঘৃণা করত। কিন্তু আপনার রব আপনার সেই অন্ধকার ঘরের পাপটি দেখেও আপনার রিযিক বন্ধ করে দেননি, আপনার বাতাস কেড়ে নেননি। তিনি এখনো পরম ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছেন—কখন তাঁর পাপী বান্দা লজ্জিত হয়ে তাঁর দিকে ফিরে আসবে।শুধু একটি মোনাজাত, আর দু ফোঁটা চোখের জলআল্লাহর দরবারে ফিরে আসার জন্য কোনো রাজকীয় প্রোটোকল লাগে না, কোনো টাকা-পয়সা লাগে না, এমনকি কোনো মানুষের সুপারিশও লাগে না। আপনি যেখানেই আছেন, যে অবস্থাতেই আছেন, জাস্ট হাত দুটো তুলুন।আপনার অতীতে কী ছিল, আপনি কতটা নিচে নেমে গিয়েছিলেন—সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো আজ এই মুহূর্তে আপনার অন্তরের অনুশোচনা। রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে, তখন জায়নামাজে বসে কিংবা বিছানায় শুয়েই চোখ থেকে দু ফোঁটা জল ফেলে লজ্জিত মুখে বলুন—"ইয়া আল্লাহ, আমি ভুল করেছি। আমি শয়তানের ধোঁকায় পড়ে নিজের ক্ষতি করেছি। তুমি ছাড়া আমার তো আর কোনো রব নেই, আমি কার দ্বারে যাবো? তুমি আমাকে মাফ করে দাও।"মনে রাখবেন বন্ধু, একজন মায়ের কাছে তাঁর সন্তান যত বড় অপরাধই করুক না কেন, সন্তান কেঁদে জড়িয়ে ধরলে মা যেমন সব ভুলে বুকে টেনে নেন; মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে একজন মায়ের চেয়েও সত্তর গুণ বেশি ভালোবাসেন। আপনি এক পা এগিয়ে দেখুন, পরম করুণাময় আপনার দিকে দশ পা এগিয়ে আসবেন।'বেঙ্গলি জার্নাল'-এর পক্ষ থেকে আজকের আহ্বানআমাদের এই নতুন যাত্রার প্রথম দিনে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি ভাই-বোনের প্রতি আমাদের আকুল আবেদন—আসুন, আমরা ভুলের দুনিয়া থেকে আলোর দুনিয়ায় ফিরে আসি. অতীতে যা হয়েছে তা পেছনে ফেলে, আজকেই খাঁটি নিয়তে তওবা করে আল্লাহর ক্ষমার চাদরে নিজেদের সঁপে দিই।নিশ্চয়ই আমাদের রব পরম দয়ালু, অতিশয় দয়াশীল। তিনি আমাদের সবাইকে তাঁর রহমতের ছায়াতলে আশ্রয় দান করুন। আমীন।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

কোন পোস্ট নেই !
রহস্যজনক কারণে দিল্লি প্রবেশে বাধা, বিমানবন্দরে ৪ ঘণ্টা বসিয়ে রাখল ইমিগ্রেশন!’: চরম অপমানে ভারত সফর বর্জন করে কলম্বো হয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান!

রহস্যজনক কারণে দিল্লি প্রবেশে বাধা, বিমানবন্দরে ৪ ঘণ্টা বসিয়ে রাখল ইমিগ্রেশন!’: চরম অপমানে ভারত সফর বর্জন করে কলম্বো হয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান!

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার সুদীর্ঘ কূটনৈতিক প্রোটোকল ও আন্তর্জাতিক সৌজন্যের সমস্ত নিয়ম চুরমার করে এক নজিরবিহীন ও রহস্যজনক বাধার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি, স্ট্র্যাটেজি এবং তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। গত রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে ‘রহস্যজনক কারণে’ ভারতে প্রবেশে বাধা প্রদান করে। অথচ সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে কূটনৈতিক পত্র বা ‘নোট ভারবাল’ দিয়ে আগাম অফিশিয়ালি অবহিত করার পরই এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফরটি শুরু করেছিলেন তিনি। বিমানবন্দর সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, ইমিগ্রেশনের নামে বাংলাদেশের এই হাই-প্রোফাইল রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টাকে টানা আড়াই থেকে চার ঘণ্টা বিমানবন্দরে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বসিয়ে রাখা হয়। চরম কূটনৈতিক অসৌজন্যমূলক এই পরিস্থিতিতে তীব্র ক্ষোভ ও অপমানিত বোধ করে জাহেদ উর রহমান একপর্যায়ে নিজেই তাঁর পাসপোর্ট ফেরত চান। পরবর্তীতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রবেশের অনুমতি দিতে চাইলেও, ততক্ষণে তীব্র ক্ষুব্ধ ও অপমানিত এই উপদেষ্টা সেই অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে দিল্লিতে প্রবেশ না করেই তাৎক্ষণিকভাবে রাতেই কলম্বোর উদ্দেশে দিল্লি ত্যাগ করেন। আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুরের আগেই কলম্বো হয়ে তাঁর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।কূটনৈতিক ও উচ্চপদস্থ সূত্রগুলো জানায়, আজ সোমবার থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আন্তর্জাতিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। ওই মেগা আন্তর্জাতিক বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান বা দলনেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের অংশ নেওয়ার বিষয়টি গত শুক্রবারই দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানিয়েছিল। সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রোটোকল নিশ্চিত করার পরও একটি আন্তর্জাতিক জোটের বৈঠকে অংশ নিতে আসা স্বাধীন বাংলাদেশের একজন শীর্ষ ক্যাবিনেট পদমর্যাদার উপদেষ্টাকে এভাবে দীর্ঘ সময় বসিয়ে রেখে হেনস্তা করার ঘটনাটিকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক মর্যাদার ওপর এক বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এই ঘটনার পর ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক চ্যানেলগুলোতে তীব্র ঠান্ডা লড়াই এবং চরম অসন্তোষের মেঘ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।এদিকে, বিশ্বরাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই নতুন রাজনৈতিক জমানায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লির বিমানবন্দরে এভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কোনো গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত চাপ বা ‘রহস্যজনক’ বার্তা থাকতে পারে। একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতাকে এভাবে কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বাধা দেওয়ার ঘটনাটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আগামী দিনের গতিপথকে আরও বেশি জটিল ও শীতল করে তুলতে পারে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঢাকার সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক মহল বলছেন, ভারত সরকারের এই আচরণ চরম অপেশাদার এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ কূটনৈতিক উইং, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের এই নজিরবিহীন বিমানবন্দর হেনস্তার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক তীব্র প্রতিবাদপত্র, দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারের জরুরি পদক্ষেপ এবং এই মেগা ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা দুঃখপ্রকাশের সার্বিক গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

রহস্যজনক কারণে দিল্লি প্রবেশে বাধা, বিমানবন্দরে ৪ ঘণ্টা বসিয়ে রাখল ইমিগ্রেশন!’: চরম অপমানে ভারত সফর বর্জন করে কলম্বো হয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান!

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার সুদীর্ঘ কূটনৈতিক প্রোটোকল ও আন্তর্জাতিক সৌজন্যের সমস্ত নিয়ম চুরমার করে এক নজিরবিহীন ও রহস্যজনক বাধার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি, স্ট্র্যাটেজি এবং তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। গত রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে ‘রহস্যজনক কারণে’ ভারতে প্রবেশে বাধা প্রদান করে। অথচ সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে কূটনৈতিক পত্র বা ‘নোট ভারবাল’ দিয়ে আগাম অফিশিয়ালি অবহিত করার পরই এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফরটি শুরু করেছিলেন তিনি। বিমানবন্দর সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, ইমিগ্রেশনের নামে বাংলাদেশের এই হাই-প্রোফাইল রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টাকে টানা আড়াই থেকে চার ঘণ্টা বিমানবন্দরে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বসিয়ে রাখা হয়। চরম কূটনৈতিক অসৌজন্যমূলক এই পরিস্থিতিতে তীব্র ক্ষোভ ও অপমানিত বোধ করে জাহেদ উর রহমান একপর্যায়ে নিজেই তাঁর পাসপোর্ট ফেরত চান। পরবর্তীতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রবেশের অনুমতি দিতে চাইলেও, ততক্ষণে তীব্র ক্ষুব্ধ ও অপমানিত এই উপদেষ্টা সেই অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে দিল্লিতে প্রবেশ না করেই তাৎক্ষণিকভাবে রাতেই কলম্বোর উদ্দেশে দিল্লি ত্যাগ করেন। আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুরের আগেই কলম্বো হয়ে তাঁর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।কূটনৈতিক ও উচ্চপদস্থ সূত্রগুলো জানায়, আজ সোমবার থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আন্তর্জাতিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। ওই মেগা আন্তর্জাতিক বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান বা দলনেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের অংশ নেওয়ার বিষয়টি গত শুক্রবারই দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানিয়েছিল। সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রোটোকল নিশ্চিত করার পরও একটি আন্তর্জাতিক জোটের বৈঠকে অংশ নিতে আসা স্বাধীন বাংলাদেশের একজন শীর্ষ ক্যাবিনেট পদমর্যাদার উপদেষ্টাকে এভাবে দীর্ঘ সময় বসিয়ে রেখে হেনস্তা করার ঘটনাটিকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক মর্যাদার ওপর এক বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এই ঘটনার পর ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক চ্যানেলগুলোতে তীব্র ঠান্ডা লড়াই এবং চরম অসন্তোষের মেঘ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।এদিকে, বিশ্বরাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই নতুন রাজনৈতিক জমানায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লির বিমানবন্দরে এভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কোনো গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত চাপ বা ‘রহস্যজনক’ বার্তা থাকতে পারে। একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতাকে এভাবে কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বাধা দেওয়ার ঘটনাটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আগামী দিনের গতিপথকে আরও বেশি জটিল ও শীতল করে তুলতে পারে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঢাকার সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক মহল বলছেন, ভারত সরকারের এই আচরণ চরম অপেশাদার এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ কূটনৈতিক উইং, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের এই নজিরবিহীন বিমানবন্দর হেনস্তার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক তীব্র প্রতিবাদপত্র, দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারের জরুরি পদক্ষেপ এবং এই মেগা ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা দুঃখপ্রকাশের সার্বিক গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

রহস্যজনক কারণে দিল্লি প্রবেশে বাধা, বিমানবন্দরে ৪ ঘণ্টা বসিয়ে রাখল ইমিগ্রেশন!’: চরম অপমানে ভারত সফর বর্জন করে কলম্বো হয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান!

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার সুদীর্ঘ কূটনৈতিক প্রোটোকল ও আন্তর্জাতিক সৌজন্যের সমস্ত নিয়ম চুরমার করে এক নজিরবিহীন ও রহস্যজনক বাধার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি, স্ট্র্যাটেজি এবং তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। গত রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে ‘রহস্যজনক কারণে’ ভারতে প্রবেশে বাধা প্রদান করে। অথচ সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে কূটনৈতিক পত্র বা ‘নোট ভারবাল’ দিয়ে আগাম অফিশিয়ালি অবহিত করার পরই এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফরটি শুরু করেছিলেন তিনি। বিমানবন্দর সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, ইমিগ্রেশনের নামে বাংলাদেশের এই হাই-প্রোফাইল রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টাকে টানা আড়াই থেকে চার ঘণ্টা বিমানবন্দরে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বসিয়ে রাখা হয়। চরম কূটনৈতিক অসৌজন্যমূলক এই পরিস্থিতিতে তীব্র ক্ষোভ ও অপমানিত বোধ করে জাহেদ উর রহমান একপর্যায়ে নিজেই তাঁর পাসপোর্ট ফেরত চান। পরবর্তীতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রবেশের অনুমতি দিতে চাইলেও, ততক্ষণে তীব্র ক্ষুব্ধ ও অপমানিত এই উপদেষ্টা সেই অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে দিল্লিতে প্রবেশ না করেই তাৎক্ষণিকভাবে রাতেই কলম্বোর উদ্দেশে দিল্লি ত্যাগ করেন। আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুরের আগেই কলম্বো হয়ে তাঁর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।কূটনৈতিক ও উচ্চপদস্থ সূত্রগুলো জানায়, আজ সোমবার থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আন্তর্জাতিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। ওই মেগা আন্তর্জাতিক বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান বা দলনেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের অংশ নেওয়ার বিষয়টি গত শুক্রবারই দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানিয়েছিল। সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রোটোকল নিশ্চিত করার পরও একটি আন্তর্জাতিক জোটের বৈঠকে অংশ নিতে আসা স্বাধীন বাংলাদেশের একজন শীর্ষ ক্যাবিনেট পদমর্যাদার উপদেষ্টাকে এভাবে দীর্ঘ সময় বসিয়ে রেখে হেনস্তা করার ঘটনাটিকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক মর্যাদার ওপর এক বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এই ঘটনার পর ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক চ্যানেলগুলোতে তীব্র ঠান্ডা লড়াই এবং চরম অসন্তোষের মেঘ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।এদিকে, বিশ্বরাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই নতুন রাজনৈতিক জমানায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লির বিমানবন্দরে এভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কোনো গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত চাপ বা ‘রহস্যজনক’ বার্তা থাকতে পারে। একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতাকে এভাবে কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বাধা দেওয়ার ঘটনাটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আগামী দিনের গতিপথকে আরও বেশি জটিল ও শীতল করে তুলতে পারে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঢাকার সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক মহল বলছেন, ভারত সরকারের এই আচরণ চরম অপেশাদার এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ কূটনৈতিক উইং, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের এই নজিরবিহীন বিমানবন্দর হেনস্তার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক তীব্র প্রতিবাদপত্র, দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারের জরুরি পদক্ষেপ এবং এই মেগা ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা দুঃখপ্রকাশের সার্বিক গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

হে পথহারা বান্দা, ফিরুন আপনার রবের দিকে: পরম করুণাময়ের ক্ষমা ও দয়ার এক অনন্ত মহাসমুদ্র

পাপের অন্ধকার গহ্বরে হারিয়ে গিয়ে আপনার কি মনে হচ্ছে যে আপনি শেষ হয়ে গেছেন? প্রতিনিয়ত ভুলের সাগরে ডুবতে ডুবতে বুকটা কি অপরাধবোধে ভারী হয়ে উঠেছে? গভীর রাতে যখন চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে যায়, তখন কি ভেতরের বিবেক আপনাকে দংশন করে আর মনে হয়—"আমার মতো এত বড় পাপীকে কি আল্লাহ আর কোনোদিন ক্ষমা করবেন? আমি যে হাত তোলার যোগ্যতাও হারিয়ে ফেলেছি!"যদি আপনার মনে এমন একাকীত্ব, হতাশা আর নিরাশা কাজ করে থাকে, তবে আজকের এই লেখাটি আপনার জন্যই। এই লেখাটি কোনো তর্জন-গর্জন বা ভয়ের বার্তা নয়, বরং এটি আপনার ভাঙা হৃদয়ে আশার আলো জ্বালানোর এক পরম ভালোবাসার আহ্বান। আপনি যত বড় পাপই করে থাকুন না কেন, আপনার রব—পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তায়ালা আপনার চেয়েও কোটি গুণ বেশি ক্ষমাশীল ও দয়ালু।শয়তানের সবচেয়ে বড় ফাঁদ: নিরাশাশয়তান আপনাকে দিয়ে শুধু পাপই করায় না, পাপ করানোর পর আপনার মনে এই কুচিন্তা ঢুকিয়ে দেয় যে—"আল্লাহ তোমাকে আর ভালোবাসেন না, তোমার ফেরার সব পথ বন্ধ।" কিন্তু এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। শয়তানের এই ফাঁদে পা দিয়ে আল্লাহর রহমত ও দয়া থেকে নিজেকে বঞ্চিত করবেন না।শুনুন আপনার দয়ালু রব আপনাকে কতটা ভালোবাসেন! তিনি পবিত্র কুরআনের সূরা আজ-জুমার-এর ৫৩ নম্বর আয়াতে কোনো রাগ বা ক্ষোভ ছাড়াই, অত্যন্ত আদর করে আপনাকে 'বান্দা' বলে ডেকে বলেছেন:"বলুন (হে নবী), হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের প্রতি অবিচার (পাপ) করেছ, তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।"সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ কিন্তু বলেননি যে হে পুণ্যবানরা এসো। তিনি ডেকেছেন যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছে, যারা পাপে নিমজ্জিত হয়েছে তাদেরকে। তিনি বলছেন—"নিরাশ হয়ো না।" এর চেয়ে বড় আশার বাণী আর কী হতে পারে?আপনার পাপ যত বড়, তাঁর ক্ষমার সমুদ্র তার চেয়েও বড়আমরা মানুষ, আমাদের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ, তাই আমাদের পাপের সংখ্যাও একসময় ফুরিয়ে যাবে। কিন্তু মহান আল্লাহর ক্ষমার কোনো সীমা নেই, তা অসীম।রাসুলুল্লাহ (সা.) হাদীসে কুদসীতে পরম রবের এক অভূতপূর্ব ক্ষমার ঘোষণা আমাদের শুনিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন:"হে আদম সন্তান! তুমি যদি আকাশ ছোঁয়া পাপ নিয়ে আমার কাছে উপস্থিত হও এবং আমার সাথে কাউকে শরীক না করে ক্ষমা চাও, আমি তোমার সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেব, আমি কোনো পরোয়া করি না।" (তিরমিযী)একটু বুক ভরে শ্বাস নিয়ে ভাবুন তো, যিনি আকাশের সমান পাপও এক নিমেষে ধুয়ে মুছে দিতে পারেন, তিনি কতটা দয়ালু! আপনি হয়তো মানুষের চোখ ফাঁকি দিয়ে পাপ করেছেন, মানুষ জানলে আপনাকে সমাজ থেকে তাড়িয়ে দিত, ঘৃণা করত। কিন্তু আপনার রব আপনার সেই অন্ধকার ঘরের পাপটি দেখেও আপনার রিযিক বন্ধ করে দেননি, আপনার বাতাস কেড়ে নেননি। তিনি এখনো পরম ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছেন—কখন তাঁর পাপী বান্দা লজ্জিত হয়ে তাঁর দিকে ফিরে আসবে।শুধু একটি মোনাজাত, আর দু ফোঁটা চোখের জলআল্লাহর দরবারে ফিরে আসার জন্য কোনো রাজকীয় প্রোটোকল লাগে না, কোনো টাকা-পয়সা লাগে না, এমনকি কোনো মানুষের সুপারিশও লাগে না। আপনি যেখানেই আছেন, যে অবস্থাতেই আছেন, জাস্ট হাত দুটো তুলুন।আপনার অতীতে কী ছিল, আপনি কতটা নিচে নেমে গিয়েছিলেন—সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো আজ এই মুহূর্তে আপনার অন্তরের অনুশোচনা। রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে, তখন জায়নামাজে বসে কিংবা বিছানায় শুয়েই চোখ থেকে দু ফোঁটা জল ফেলে লজ্জিত মুখে বলুন—"ইয়া আল্লাহ, আমি ভুল করেছি। আমি শয়তানের ধোঁকায় পড়ে নিজের ক্ষতি করেছি। তুমি ছাড়া আমার তো আর কোনো রব নেই, আমি কার দ্বারে যাবো? তুমি আমাকে মাফ করে দাও।"মনে রাখবেন বন্ধু, একজন মায়ের কাছে তাঁর সন্তান যত বড় অপরাধই করুক না কেন, সন্তান কেঁদে জড়িয়ে ধরলে মা যেমন সব ভুলে বুকে টেনে নেন; মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে একজন মায়ের চেয়েও সত্তর গুণ বেশি ভালোবাসেন। আপনি এক পা এগিয়ে দেখুন, পরম করুণাময় আপনার দিকে দশ পা এগিয়ে আসবেন।'বেঙ্গলি জার্নাল'-এর পক্ষ থেকে আজকের আহ্বানআমাদের এই নতুন যাত্রার প্রথম দিনে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি ভাই-বোনের প্রতি আমাদের আকুল আবেদন—আসুন, আমরা ভুলের দুনিয়া থেকে আলোর দুনিয়ায় ফিরে আসি. অতীতে যা হয়েছে তা পেছনে ফেলে, আজকেই খাঁটি নিয়তে তওবা করে আল্লাহর ক্ষমার চাদরে নিজেদের সঁপে দিই।নিশ্চয়ই আমাদের রব পরম দয়ালু, অতিশয় দয়াশীল। তিনি আমাদের সবাইকে তাঁর রহমতের ছায়াতলে আশ্রয় দান করুন। আমীন।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
রহস্যজনক কারণে দিল্লি প্রবেশে বাধা, বিমানবন্দরে ৪ ঘণ্টা বসিয়ে রাখল ইমিগ্রেশন!’: চরম অপমানে ভারত সফর বর্জন করে কলম্বো হয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান!

রহস্যজনক কারণে দিল্লি প্রবেশে বাধা, বিমানবন্দরে ৪ ঘণ্টা বসিয়ে রাখল ইমিগ্রেশন!’: চরম অপমানে ভারত সফর বর্জন করে কলম্বো হয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান!

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার সুদীর্ঘ কূটনৈতিক প্রোটোকল ও আন্তর্জাতিক সৌজন্যের সমস্ত নিয়ম চুরমার করে এক নজিরবিহীন ও রহস্যজনক বাধার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি, স্ট্র্যাটেজি এবং তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। গত রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে ‘রহস্যজনক কারণে’ ভারতে প্রবেশে বাধা প্রদান করে। অথচ সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে কূটনৈতিক পত্র বা ‘নোট ভারবাল’ দিয়ে আগাম অফিশিয়ালি অবহিত করার পরই এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফরটি শুরু করেছিলেন তিনি। বিমানবন্দর সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, ইমিগ্রেশনের নামে বাংলাদেশের এই হাই-প্রোফাইল রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টাকে টানা আড়াই থেকে চার ঘণ্টা বিমানবন্দরে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বসিয়ে রাখা হয়। চরম কূটনৈতিক অসৌজন্যমূলক এই পরিস্থিতিতে তীব্র ক্ষোভ ও অপমানিত বোধ করে জাহেদ উর রহমান একপর্যায়ে নিজেই তাঁর পাসপোর্ট ফেরত চান। পরবর্তীতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রবেশের অনুমতি দিতে চাইলেও, ততক্ষণে তীব্র ক্ষুব্ধ ও অপমানিত এই উপদেষ্টা সেই অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে দিল্লিতে প্রবেশ না করেই তাৎক্ষণিকভাবে রাতেই কলম্বোর উদ্দেশে দিল্লি ত্যাগ করেন। আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুরের আগেই কলম্বো হয়ে তাঁর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।কূটনৈতিক ও উচ্চপদস্থ সূত্রগুলো জানায়, আজ সোমবার থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আন্তর্জাতিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। ওই মেগা আন্তর্জাতিক বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান বা দলনেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের অংশ নেওয়ার বিষয়টি গত শুক্রবারই দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানিয়েছিল। সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রোটোকল নিশ্চিত করার পরও একটি আন্তর্জাতিক জোটের বৈঠকে অংশ নিতে আসা স্বাধীন বাংলাদেশের একজন শীর্ষ ক্যাবিনেট পদমর্যাদার উপদেষ্টাকে এভাবে দীর্ঘ সময় বসিয়ে রেখে হেনস্তা করার ঘটনাটিকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক মর্যাদার ওপর এক বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এই ঘটনার পর ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক চ্যানেলগুলোতে তীব্র ঠান্ডা লড়াই এবং চরম অসন্তোষের মেঘ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।এদিকে, বিশ্বরাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই নতুন রাজনৈতিক জমানায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লির বিমানবন্দরে এভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কোনো গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত চাপ বা ‘রহস্যজনক’ বার্তা থাকতে পারে। একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতাকে এভাবে কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বাধা দেওয়ার ঘটনাটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আগামী দিনের গতিপথকে আরও বেশি জটিল ও শীতল করে তুলতে পারে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঢাকার সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক মহল বলছেন, ভারত সরকারের এই আচরণ চরম অপেশাদার এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ কূটনৈতিক উইং, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের এই নজিরবিহীন বিমানবন্দর হেনস্তার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক তীব্র প্রতিবাদপত্র, দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারের জরুরি পদক্ষেপ এবং এই মেগা ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা দুঃখপ্রকাশের সার্বিক গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

রহস্যজনক কারণে দিল্লি প্রবেশে বাধা, বিমানবন্দরে ৪ ঘণ্টা বসিয়ে রাখল ইমিগ্রেশন!’: চরম অপমানে ভারত সফর বর্জন করে কলম্বো হয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান!

রহস্যজনক কারণে দিল্লি প্রবেশে বাধা, বিমানবন্দরে ৪ ঘণ্টা বসিয়ে রাখল ইমিগ্রেশন!’: চরম অপমানে ভারত সফর বর্জন করে কলম্বো হয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান!

ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার সুদীর্ঘ কূটনৈতিক প্রোটোকল ও আন্তর্জাতিক সৌজন্যের সমস্ত নিয়ম চুরমার করে এক নজিরবিহীন ও রহস্যজনক বাধার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি, স্ট্র্যাটেজি এবং তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। গত রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় ভারতের দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে ‘রহস্যজনক কারণে’ ভারতে প্রবেশে বাধা প্রদান করে। অথচ সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে কূটনৈতিক পত্র বা ‘নোট ভারবাল’ দিয়ে আগাম অফিশিয়ালি অবহিত করার পরই এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফরটি শুরু করেছিলেন তিনি। বিমানবন্দর সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, ইমিগ্রেশনের নামে বাংলাদেশের এই হাই-প্রোফাইল রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টাকে টানা আড়াই থেকে চার ঘণ্টা বিমানবন্দরে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বসিয়ে রাখা হয়। চরম কূটনৈতিক অসৌজন্যমূলক এই পরিস্থিতিতে তীব্র ক্ষোভ ও অপমানিত বোধ করে জাহেদ উর রহমান একপর্যায়ে নিজেই তাঁর পাসপোর্ট ফেরত চান। পরবর্তীতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রবেশের অনুমতি দিতে চাইলেও, ততক্ষণে তীব্র ক্ষুব্ধ ও অপমানিত এই উপদেষ্টা সেই অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে দিল্লিতে প্রবেশ না করেই তাৎক্ষণিকভাবে রাতেই কলম্বোর উদ্দেশে দিল্লি ত্যাগ করেন। আজ সোমবার (১৫ জুন) দুপুরের আগেই কলম্বো হয়ে তাঁর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।কূটনৈতিক ও উচ্চপদস্থ সূত্রগুলো জানায়, আজ সোমবার থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আন্তর্জাতিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। ওই মেগা আন্তর্জাতিক বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান বা দলনেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের অংশ নেওয়ার বিষয়টি গত শুক্রবারই দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানিয়েছিল। সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রোটোকল নিশ্চিত করার পরও একটি আন্তর্জাতিক জোটের বৈঠকে অংশ নিতে আসা স্বাধীন বাংলাদেশের একজন শীর্ষ ক্যাবিনেট পদমর্যাদার উপদেষ্টাকে এভাবে দীর্ঘ সময় বসিয়ে রেখে হেনস্তা করার ঘটনাটিকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক মর্যাদার ওপর এক বড় ধরনের আঘাত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এই ঘটনার পর ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক চ্যানেলগুলোতে তীব্র ঠান্ডা লড়াই এবং চরম অসন্তোষের মেঘ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।এদিকে, বিশ্বরাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই নতুন রাজনৈতিক জমানায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লির বিমানবন্দরে এভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কোনো গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত চাপ বা ‘রহস্যজনক’ বার্তা থাকতে পারে। একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতাকে এভাবে কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত বাধা দেওয়ার ঘটনাটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আগামী দিনের গতিপথকে আরও বেশি জটিল ও শীতল করে তুলতে পারে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঢাকার সচেতন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক মহল বলছেন, ভারত সরকারের এই আচরণ চরম অপেশাদার এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ কূটনৈতিক উইং, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের এই নজিরবিহীন বিমানবন্দর হেনস্তার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক তীব্র প্রতিবাদপত্র, দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারের জরুরি পদক্ষেপ এবং এই মেগা ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা দুঃখপ্রকাশের সার্বিক গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

কোন পোস্ট নেই !
কোন ছবি নেই !
কোন ছবি নেই !
কোন পোস্ট নেই !