গোপালগঞ্জে ক্ষমতার পালাবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার এক নজিরবিহীন ও চরম অবমাননাকর অধ্যায় শুরু হয়েছে, যেখানে আইন-শৃঙ্খলা ও মানবাধিকারের নূন্যতম তোয়াক্কা না করে চালানো হচ্ছে ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য প্রশাসনিক দমন-পীড়ন। গত কয়েক দিন ধরে পুরো জেলা জুড়ে পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর এক সর্বাত্মক ও ভীতিকর ‘গণগ্রেফতার’ অভিযান চলছে, যার নির্মম শিকার হচ্ছে সাধারণ নিরীহ মানুষ থেকে শুরু করে কোমলমতি শিশুরা। এমনই এক স্তম্ভিত ও শিউরে ওঠার মতো অমানবিক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে স্রেফ ঐতিহাসিক ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অপরাধে বা অভিযোগে মাত্র ৭ বছরের এক নিষ্পাপ শিশুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক স্লোগানকে কেন্দ্র করে সাত বছরের এক অবুঝ শিশুকে থানার লকআপে বা প্রোটোকলের আওতায় নিয়ে যাওয়ার এই নজিরবিহীন ধৃষ্টতা দেশের প্রচলিত শিশু আইন ও বৈশ্বিক মানবাধিকারের সমস্ত আন্তর্জাতিক নীতিমালাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে। গোপালগঞ্জের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত পাড়া-মহল্লায় পুলিশের এই আগ্রাসী ও অমানবিক অ্যাকশনের পর সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক, ক্ষোভ ও নজিরবিহীন অসন্তোষের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে।
মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানী খবরাখবর এবং দেশের প্রথিতযশা মানবাধিকার আইনজীবীরা স্পষ্ট বলছেন—কোনো রাজনৈতিক স্লোগান বা আদর্শের দোহাই দিয়ে সাত বছরের এক শিশুকে এভাবে গ্রেফতার বা আটক করা সম্পূর্ণ বেআইনি, যা বর্তমান প্রশাসনের চরম দেউলিয়াত্ব ও প্রতিহিংসামূলক রাজনীতিরই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। গোপালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় যখন সাধারণ মানুষ নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলছেন, তখন প্রশাসন পুরো জেলাকে অঘোষিতভাবে এক ভীতিকর অবরুদ্ধ জনপদে পরিণত করেছে। সাধারণ অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা চোখের জল ফেলে বলছেন, যে বয়সে শিশুদের হাতে বই-খাতা থাকার কথা, সেই বয়সে তাদের রাজনৈতিক টার্গেট বানিয়ে বন্দি করা এক নির্মম তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অলিন্দে এখন এই জঘন্য গ্রেফতারকাণ্ড নিয়ে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে এবং পুলিশের এই অতিউত্সাহী ভূমিকার বিরুদ্ধে ধিক্কার জানানো হচ্ছে। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ জাতীয়, ক্রাইম ও মানবাধিকার উইং গোপালগঞ্জের এই গণগ্রেফতারের শিকার হওয়া পরিবারগুলোর আর্তনাদ, আটককৃত ৭ বছরের সেই শিশুর আইনি মুক্তির সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং পুলিশের এই বিতর্কিত অ্যাকশনের বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর আসন্ন আইনি লড়াইয়ের প্রতিটি মুহূর্তের খবরাখবর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জে ক্ষমতার পালাবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার এক নজিরবিহীন ও চরম অবমাননাকর অধ্যায় শুরু হয়েছে, যেখানে আইন-শৃঙ্খলা ও মানবাধিকারের নূন্যতম তোয়াক্কা না করে চালানো হচ্ছে ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য প্রশাসনিক দমন-পীড়ন। গত কয়েক দিন ধরে পুরো জেলা জুড়ে পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর এক সর্বাত্মক ও ভীতিকর ‘গণগ্রেফতার’ অভিযান চলছে, যার নির্মম শিকার হচ্ছে সাধারণ নিরীহ মানুষ থেকে শুরু করে কোমলমতি শিশুরা। এমনই এক স্তম্ভিত ও শিউরে ওঠার মতো অমানবিক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে স্রেফ ঐতিহাসিক ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অপরাধে বা অভিযোগে মাত্র ৭ বছরের এক নিষ্পাপ শিশুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক স্লোগানকে কেন্দ্র করে সাত বছরের এক অবুঝ শিশুকে থানার লকআপে বা প্রোটোকলের আওতায় নিয়ে যাওয়ার এই নজিরবিহীন ধৃষ্টতা দেশের প্রচলিত শিশু আইন ও বৈশ্বিক মানবাধিকারের সমস্ত আন্তর্জাতিক নীতিমালাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে। গোপালগঞ্জের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত পাড়া-মহল্লায় পুলিশের এই আগ্রাসী ও অমানবিক অ্যাকশনের পর সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক, ক্ষোভ ও নজিরবিহীন অসন্তোষের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে।
মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানী খবরাখবর এবং দেশের প্রথিতযশা মানবাধিকার আইনজীবীরা স্পষ্ট বলছেন—কোনো রাজনৈতিক স্লোগান বা আদর্শের দোহাই দিয়ে সাত বছরের এক শিশুকে এভাবে গ্রেফতার বা আটক করা সম্পূর্ণ বেআইনি, যা বর্তমান প্রশাসনের চরম দেউলিয়াত্ব ও প্রতিহিংসামূলক রাজনীতিরই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। গোপালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় যখন সাধারণ মানুষ নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান তুলছেন, তখন প্রশাসন পুরো জেলাকে অঘোষিতভাবে এক ভীতিকর অবরুদ্ধ জনপদে পরিণত করেছে। সাধারণ অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা চোখের জল ফেলে বলছেন, যে বয়সে শিশুদের হাতে বই-খাতা থাকার কথা, সেই বয়সে তাদের রাজনৈতিক টার্গেট বানিয়ে বন্দি করা এক নির্মম তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অলিন্দে এখন এই জঘন্য গ্রেফতারকাণ্ড নিয়ে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে এবং পুলিশের এই অতিউত্সাহী ভূমিকার বিরুদ্ধে ধিক্কার জানানো হচ্ছে। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ জাতীয়, ক্রাইম ও মানবাধিকার উইং গোপালগঞ্জের এই গণগ্রেফতারের শিকার হওয়া পরিবারগুলোর আর্তনাদ, আটককৃত ৭ বছরের সেই শিশুর আইনি মুক্তির সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং পুলিশের এই বিতর্কিত অ্যাকশনের বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর আসন্ন আইনি লড়াইয়ের প্রতিটি মুহূর্তের খবরাখবর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

আপনার মতামত লিখুন