২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশ। ফলে জাতীয় পর্যায়ে অকৃতকার্য বা ফেলের হার ৩৭.৭৫ শতাংশ। উত্তরপত্রের নিরপেক্ষ ও গুণগত মূল্যায়নের কারণে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা উভয়ই হ্রাস পেয়েছে।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে লালমনিরহাট জেলায় এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের গড় পাসের হার ৫৮.০৫ শতাংশ। ফলে লালমনিরহাট জেলায় অকৃতকার্য বা ফেলের হার ৪১.৯৫ শতাংশ। জেলাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, লালমনিরহাটে ছেলেদের পাসের হার আনুমানিক ৫৫.১০ শতাংশ এবং অকৃতকার্য বা ফেলের হার ৪৪.৯০ শতাংশ।
চরাঞ্চল ও অবহেলিত এলাকার বিদ্যালয়ে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের তুলনামূলক দুর্বলতা এবং বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবকে জেলা পর্যায়ে ফেলের হার বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
লালমনিরহাট জেলায় এ বছর মোট ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে (কেউ ফেল করেনি) এবং ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি (কেউ পাস করেনি)।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে প্রকাশিত ফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে। সারাদেশের মোট ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছেলে পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন, অর্থাৎ ছেলেদের পাসের হার ৫৭.৮৬ শতাংশ।
অপরদিকে, ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন মেয়ে পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন, যার মাধ্যমে মেয়েদের পাসের হার দাঁড়ায় ৬৬.৬৮ শতাংশ। ফলে জাতীয় পর্যায়ে ছেলেদের অকৃতকার্য বা ফেলের হার ৪২.১৪ শতাংশ এবং মেয়েদের ৩৩.৩২ শতাংশ।
২০২৬ সালের ফলাফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পারফরম্যান্সে বিশেষ চিত্র ধরা পড়েছে। সারাদেশে মোট ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী পাস করেছে, অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানে কেউ ফেল করেনি (১০০% পাস)। অপরদিকে, দেশের মোট ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি, অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানে ফেলের হার ১০০ শতাংশ (শূন্য পাস)।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। সারাদেশে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশ। ফলে জাতীয় পর্যায়ে অকৃতকার্য বা ফেলের হার ৩৭.৭৫ শতাংশ। উত্তরপত্রের নিরপেক্ষ ও গুণগত মূল্যায়নের কারণে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা উভয়ই হ্রাস পেয়েছে।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে লালমনিরহাট জেলায় এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের গড় পাসের হার ৫৮.০৫ শতাংশ। ফলে লালমনিরহাট জেলায় অকৃতকার্য বা ফেলের হার ৪১.৯৫ শতাংশ। জেলাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, লালমনিরহাটে ছেলেদের পাসের হার আনুমানিক ৫৫.১০ শতাংশ এবং অকৃতকার্য বা ফেলের হার ৪৪.৯০ শতাংশ।
চরাঞ্চল ও অবহেলিত এলাকার বিদ্যালয়ে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের তুলনামূলক দুর্বলতা এবং বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবকে জেলা পর্যায়ে ফেলের হার বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
লালমনিরহাট জেলায় এ বছর মোট ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে (কেউ ফেল করেনি) এবং ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি (কেউ পাস করেনি)।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে প্রকাশিত ফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে। সারাদেশের মোট ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছেলে পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন, অর্থাৎ ছেলেদের পাসের হার ৫৭.৮৬ শতাংশ।
অপরদিকে, ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন মেয়ে পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন, যার মাধ্যমে মেয়েদের পাসের হার দাঁড়ায় ৬৬.৬৮ শতাংশ। ফলে জাতীয় পর্যায়ে ছেলেদের অকৃতকার্য বা ফেলের হার ৪২.১৪ শতাংশ এবং মেয়েদের ৩৩.৩২ শতাংশ।
২০২৬ সালের ফলাফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পারফরম্যান্সে বিশেষ চিত্র ধরা পড়েছে। সারাদেশে মোট ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী পাস করেছে, অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানে কেউ ফেল করেনি (১০০% পাস)। অপরদিকে, দেশের মোট ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি, অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানে ফেলের হার ১০০ শতাংশ (শূন্য পাস)।

আপনার মতামত লিখুন