দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি এবং অবিরাম বারিবর্ষণের কারণে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার চরম কষ্টকর ও অমানবিক বাস্তবতার মাঝেই এবার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটের মতো আবির্ভূত হয়েছে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর এক চরম অবমাননাকর ও ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্য। সম্প্রতি দেশের চলমান বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে পানি জমে যাওয়ায় এবং যাতায়াতের চরম ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে ঢাকা সিটি কলেজের একজন সাধারণ এইচএসসি পরীক্ষার্থী বর্তমান বিএনপি সরকারের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে ফোন করে পরীক্ষা স্থগিত করার আকুল আবেদন জানান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, একজন শিক্ষার্থীর সেই যৌক্তিক ও মানবিক আকুতিকে বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে উল্টো চরম তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও বিদ্রূপের সুরে শিক্ষামন্ত্রী মিলন জবাব দেন, “তোমরা তো ফার্মের মুরগি, একটু ভিজলেই জ্বর আসে; বৃষ্টির পানি মাথায় পড়লেই তোমাদের জ্বর আসে।” একজন দায়িত্বশীল শীর্ষ পদের ব্যক্তির মুখ থেকে শিক্ষার্থীদের এমন ‘ফার্মের মুরগি’ বলে কটাক্ষ করার এই সংবেদনশীল ও আপত্তিকর ফোনালাপের অডিও রেকর্ডটি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোল্টেজ ছড়িয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, যা দেখার পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিক সমাজের মাঝে তীব্র ক্ষোভ, ক্ষিপ্রতা ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বন্যা ও রেকর্ড পরিমাণ অতিবৃষ্টির কারণে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়া এক নরকযন্ত্রণায় পরিণত হয়েছে। দেশের বহু অঞ্চলের পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো ইতোমধ্যে পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং শিক্ষার্থীরা হাঁটু পানি, কোথাও বুক পানি মাড়িয়ে, ভিজে শরীরে ও জ্বর নিয়ে পরীক্ষার হলে বসতে বাধ্য হচ্ছে। যদিও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট বোর্ডের পরীক্ষা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে, কিন্তু এতে সারা দেশের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর মূল সমস্যার কোনো বাস্তবসম্মত বা স্থায়ী সমাধান হয়নি। এমন এক চরম মানবিক সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রীর এই চরম অসংবেদনশীল মানসিকতার বহিঃপ্রকাশকে নেটিজেনরা স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের আত্মমর্যাদার ওপর এক মস্ত বড় আঘাত বলে অভিহিত করছেন। সাধারণ মানুষ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলছেন—যেখানে প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীদের জানমালের নিরাপত্তা ও সুস্থতার কথা বিবেচনা করে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া, সেখানে এমন মন্তব্য শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি এবং অবিরাম বারিবর্ষণের কারণে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার চরম কষ্টকর ও অমানবিক বাস্তবতার মাঝেই এবার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটের মতো আবির্ভূত হয়েছে বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর এক চরম অবমাননাকর ও ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্য। সম্প্রতি দেশের চলমান বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে পানি জমে যাওয়ায় এবং যাতায়াতের চরম ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে ঢাকা সিটি কলেজের একজন সাধারণ এইচএসসি পরীক্ষার্থী বর্তমান বিএনপি সরকারের শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে ফোন করে পরীক্ষা স্থগিত করার আকুল আবেদন জানান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, একজন শিক্ষার্থীর সেই যৌক্তিক ও মানবিক আকুতিকে বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে উল্টো চরম তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও বিদ্রূপের সুরে শিক্ষামন্ত্রী মিলন জবাব দেন, “তোমরা তো ফার্মের মুরগি, একটু ভিজলেই জ্বর আসে; বৃষ্টির পানি মাথায় পড়লেই তোমাদের জ্বর আসে।” একজন দায়িত্বশীল শীর্ষ পদের ব্যক্তির মুখ থেকে শিক্ষার্থীদের এমন ‘ফার্মের মুরগি’ বলে কটাক্ষ করার এই সংবেদনশীল ও আপত্তিকর ফোনালাপের অডিও রেকর্ডটি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোল্টেজ ছড়িয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, যা দেখার পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিক সমাজের মাঝে তীব্র ক্ষোভ, ক্ষিপ্রতা ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বন্যা ও রেকর্ড পরিমাণ অতিবৃষ্টির কারণে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়া এক নরকযন্ত্রণায় পরিণত হয়েছে। দেশের বহু অঞ্চলের পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো ইতোমধ্যে পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং শিক্ষার্থীরা হাঁটু পানি, কোথাও বুক পানি মাড়িয়ে, ভিজে শরীরে ও জ্বর নিয়ে পরীক্ষার হলে বসতে বাধ্য হচ্ছে। যদিও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কয়েকটি সুনির্দিষ্ট বোর্ডের পরীক্ষা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে, কিন্তু এতে সারা দেশের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর মূল সমস্যার কোনো বাস্তবসম্মত বা স্থায়ী সমাধান হয়নি। এমন এক চরম মানবিক সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রীর এই চরম অসংবেদনশীল মানসিকতার বহিঃপ্রকাশকে নেটিজেনরা স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের আত্মমর্যাদার ওপর এক মস্ত বড় আঘাত বলে অভিহিত করছেন। সাধারণ মানুষ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলছেন—যেখানে প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীদের জানমালের নিরাপত্তা ও সুস্থতার কথা বিবেচনা করে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া, সেখানে এমন মন্তব্য শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন