দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার সাথে সাথেই দুর্গত মানুষের সহায়তার নামে আবারও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আর্থিক অনুদান ও চাঁদা সংগ্রহের তোড়জোড় শুরু করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ মুখ হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম। তবে বন্যাকে কেন্দ্র করে এই দুই যুব নেতার আকস্মিক ত্রাণের দোকান খোলার ঘোষণার পরপরই সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মাঝে এক নজিরবিহীন ক্ষোভ, তীব্র অসন্তোষ এবং গভীর অনাস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর মূল কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর ব্যাকগ্রাউন্ড; গত বছর দেশের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ‘ত্রাণ তহবিল’ গঠনের মাধ্যমে দেশের আপামর জনসাধারণের কাছ থেকে যে বিপুল পরিমাণ টাকা হাসনাত-সারজিসরা সংগ্রহ করেছিলেন, সেই ফান্ডের টাকা সঠিকভাবে ভুক্তভোগীদের মাঝে ব্যয় করা হয়নি বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্র ও তৎকালীন অডিট সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, মানুষ অন্ধের মতো বিশ্বাস করে বন্যার্তদের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার জন্য কোটি কোটি টাকা তাঁদের হাতে তুলে দিলেও, পরবর্তীতে সেই ফান্ডের প্রায় ১৩ কোটি টাকারও বেশি অর্থের কোনো স্বচ্ছ হিসাব বা দৃশ্যমান সদ্ব্যবহার করা হয়নি, যা প্রকারান্তরে আত্মসাতের রূপ নিয়েছে বলে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।
রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, গত বছরের সেই বিশাল অঙ্কের টাকা বন্যাদুর্গতদের কল্যাণে না লাগিয়ে ব্যাংকে ফেলে রাখা কিংবা নিজেদের অভ্যন্তরীণ স্বার্থে ব্যবহার করার যে ন্যাক্কারজনক উদাহরণ তৈরি হয়েছে, তা এই সমন্বয়কদের নৈতিকতাকে সরাসরি মস্ত বড় কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এবার বন্যা শুরু হতেই যখন আবারও হাসনাত ও সারজিস জোড়ালোভাবে মানুষের পকেট থেকে চাঁদা তোলার জন্য ফেসবুক ও গণমাধ্যমে তৎপরতা শুরু করেছেন, তখন সচেতন নেটিজেনরা একে স্রেফ ‘প্রতারণার নতুন দোকান’ এবং পুনরায় ফায়দা লোটার নিখুঁত স্ক্রিপ্ট বলে তীব্র সমালোচনা করছেন। সাধারণ মানুষের স্পষ্ট দাবি—যেখানে পূর্বের ১৩ কোটি টাকার কোনো স্বচ্ছ অডিট বা জবাবদিহিতা দেশের মানুষের সামনে পেশ করা হয়নি, সেখানে কোন নৈতিকতার ভিত্তিতে তারা আবারও বন্যার দোহাই দিয়ে তহবিল সংগ্রহের দুঃসাহস দেখায়? এই চাঞ্চল্যকর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই ত্রাণের নামে আসা পাবলিকের টাকা নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব এবং এই স্বঘোষিত পন্ডিতদের তথাকথিত সমাজসেবার আসল উদ্দেশ্য নিয়ে দেশজুড়ে হুলস্থুল তোলপাড় শুরু হয়েছে। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ ক্রাইম, ফাইন্যান্সিয়াল ও জাতীয় অনুসন্ধানী উইং হাসনাত-সারজিসদের পূর্বের বিতর্কিত টিএসসি ফান্ড কেলেঙ্কারির ভেতরের গোপন তথ্য, বর্তমান বন্যাকে পুঁজি করে নতুন করে টাকা তোলার নেপথ্য এজেন্ডা এবং দেশের আপামর জনসাধারণের এই তীব্র জনরোষের প্রতিমুহূর্তের খবরাখবর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার সাথে সাথেই দুর্গত মানুষের সহায়তার নামে আবারও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আর্থিক অনুদান ও চাঁদা সংগ্রহের তোড়জোড় শুরু করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ মুখ হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম। তবে বন্যাকে কেন্দ্র করে এই দুই যুব নেতার আকস্মিক ত্রাণের দোকান খোলার ঘোষণার পরপরই সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মাঝে এক নজিরবিহীন ক্ষোভ, তীব্র অসন্তোষ এবং গভীর অনাস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর মূল কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর ব্যাকগ্রাউন্ড; গত বছর দেশের ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ‘ত্রাণ তহবিল’ গঠনের মাধ্যমে দেশের আপামর জনসাধারণের কাছ থেকে যে বিপুল পরিমাণ টাকা হাসনাত-সারজিসরা সংগ্রহ করেছিলেন, সেই ফান্ডের টাকা সঠিকভাবে ভুক্তভোগীদের মাঝে ব্যয় করা হয়নি বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্র ও তৎকালীন অডিট সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, মানুষ অন্ধের মতো বিশ্বাস করে বন্যার্তদের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার জন্য কোটি কোটি টাকা তাঁদের হাতে তুলে দিলেও, পরবর্তীতে সেই ফান্ডের প্রায় ১৩ কোটি টাকারও বেশি অর্থের কোনো স্বচ্ছ হিসাব বা দৃশ্যমান সদ্ব্যবহার করা হয়নি, যা প্রকারান্তরে আত্মসাতের রূপ নিয়েছে বলে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।
রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকদের মতে, গত বছরের সেই বিশাল অঙ্কের টাকা বন্যাদুর্গতদের কল্যাণে না লাগিয়ে ব্যাংকে ফেলে রাখা কিংবা নিজেদের অভ্যন্তরীণ স্বার্থে ব্যবহার করার যে ন্যাক্কারজনক উদাহরণ তৈরি হয়েছে, তা এই সমন্বয়কদের নৈতিকতাকে সরাসরি মস্ত বড় কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এবার বন্যা শুরু হতেই যখন আবারও হাসনাত ও সারজিস জোড়ালোভাবে মানুষের পকেট থেকে চাঁদা তোলার জন্য ফেসবুক ও গণমাধ্যমে তৎপরতা শুরু করেছেন, তখন সচেতন নেটিজেনরা একে স্রেফ ‘প্রতারণার নতুন দোকান’ এবং পুনরায় ফায়দা লোটার নিখুঁত স্ক্রিপ্ট বলে তীব্র সমালোচনা করছেন। সাধারণ মানুষের স্পষ্ট দাবি—যেখানে পূর্বের ১৩ কোটি টাকার কোনো স্বচ্ছ অডিট বা জবাবদিহিতা দেশের মানুষের সামনে পেশ করা হয়নি, সেখানে কোন নৈতিকতার ভিত্তিতে তারা আবারও বন্যার দোহাই দিয়ে তহবিল সংগ্রহের দুঃসাহস দেখায়? এই চাঞ্চল্যকর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই ত্রাণের নামে আসা পাবলিকের টাকা নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব এবং এই স্বঘোষিত পন্ডিতদের তথাকথিত সমাজসেবার আসল উদ্দেশ্য নিয়ে দেশজুড়ে হুলস্থুল তোলপাড় শুরু হয়েছে। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ ক্রাইম, ফাইন্যান্সিয়াল ও জাতীয় অনুসন্ধানী উইং হাসনাত-সারজিসদের পূর্বের বিতর্কিত টিএসসি ফান্ড কেলেঙ্কারির ভেতরের গোপন তথ্য, বর্তমান বন্যাকে পুঁজি করে নতুন করে টাকা তোলার নেপথ্য এজেন্ডা এবং দেশের আপামর জনসাধারণের এই তীব্র জনরোষের প্রতিমুহূর্তের খবরাখবর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

আপনার মতামত লিখুন