ঢাকা    শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
Bengali Journal

‘হালান্ড যেন একটি যন্ত্র’

ক্লাব পর্যায়ে আরও আগেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন আরলিং হালান্ড। ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসেও চেনা চেহারায় এই স্ট্রাইকার। ধারাবাহিকভাবে গোল করে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে আছেন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে চারদিকে এখন হালান্ড বন্দনা। ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার হ্যারি কেইনও তাঁর প্রশংসা করতে ভুললেন না। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে রাতে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ নরওয়ে। ইংলিশদের বিপক্ষে ম্যাচে হালান্ডের দিতে তাকিয়ে থাকবে নরওয়েজিয়ানরা। নিজের সেরা দিনে ২৫ বছর বয়সী তারকা কী করতে পারেন, সেটা জানা আছে কেইনের। ফুটবলার হালান্ডকে তাই সাধারণ কোনো মানুষ নয়, বরং প্রাণীই মনে করেন কেইন। সংবাদ সম্মেলনে কেইন বলেন, ‘হালান্ড সত্যিই অবিশ্বাস্য। তার গোল করার রেকর্ড অসাধারণ। শারীরিকভাবে সে যেন একটি যন্ত্র, একেবারে একটি প্রাণীর মতো। তার ফিনিশিং সর্বোচ্চ মানের। গোল করার পরিসংখ্যানই সব বলে দেয়।’ এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৪ ম্যাচে মাঠে নেমেছেন হালান্ড; ৭ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকার তিনে আছেন। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে নরওয়েকে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে গেছেন তিনি। ৬ গোল করে হালান্ডের পরেই আছেন কেইন। দুজনই স্ট্রাইকার হলেও নিজেদের খেলার ধরনে কোনো মিল খুঁজে পান না এই ইংলিশ তারকা। কেইন বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের খেলোয়াড়। আমরা দুজনই স্ট্রাইকার, কিন্তু প্রায় দুই রকমের অবস্থানে খেলি। আমি নিজেকে ভিন্ন ধরনের খেলোয়াড় মনে করি, যদিও আমিও একই ধরনের গোল করি। আমি বল একটু বেশি স্পর্শ করতে পছন্দ করি, খেলায় আরও বেশি জড়িত থাকতে ভালো লাগে। তবে প্রয়োজন হলে খাঁটি নাম্বার নাইন হিসেবেও খেলতে পারি।’ হালান্ডের প্রতি সম্মান জানিয়ে কেইন বলেন, ‘আমাদের তুলনা করা ঠিক হবে বলে মনে করি না। একজন খেলোয়াড় এবং পেশাদার হিসেবে আমি তাকে অনেক সম্মান করি। অবশ্যই আশা করছি আগামীকাল তার দিনটা শান্তই কাটবে। তবে সামগ্রিকভাবে তার পারফরম্যান্স খুবই ভালো। সে দুর্দান্ত একজন খেলোয়াড়।’

‘হালান্ড যেন একটি যন্ত্র’