দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক ভয়াবহ ও বিপর্যয়কর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত মানবিক ও আপদকালীন উদ্ধার এবং ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে প্রগতিশীল ও সামাজিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ও বিশেষ জরুরি সেলের নির্দেশনায় ইতিমধ্যেই একটি শক্তিশালী ও সুসজ্জিত স্বেচ্ছাসেবক টিম শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও অতিপ্রয়োজনীয় জরুরি জীবনরক্ষাকারী ওষুধি ও চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছে গেছে। বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে এই জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আল-রিয়াদ আদনান অন্তর অত্যন্ত দৃঢ় ও সংকল্পবদ্ধ কণ্ঠে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বার্তা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, “আমাদের এই মহান ও মানবিক লড়াইয়ের মূল অনুপ্রেরণাই হলেন দেশের মাটি ও মানুষের পরম আশ্রয়, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তাঁরই সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী নির্দেশে এবং মানবিক আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমাদের পুরো টিম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বন্যাকবলিত ও চরম বিপর্যস্ত চট্টগ্রামের অসহায়, সর্বহারা ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে বুক চিতিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে; যতদিন পর্যন্ত দেশের এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত রাজপথে এবং দুর্গম চরাঞ্চলে আমাদের এই ভালোবাসার ও সেবার হাত প্রসারিত থাকবে।”
মাঠপর্যায়ের প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য এবং স্থানীয় সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, চট্টগ্রামের যেসব গ্রামীণ ও চরাঞ্চল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল এবং যেখানে সাধারণ মানুষের তীব্র খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছিল, সেখানে ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর তরুণ কর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই কঠিন মুহূর্তে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের মৌলিক সংকট মোচনে সংগঠনটির এমন দ্রুত ও সময়োপযোগী মানবিক তৎপরতা স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবার এবং সচেতন নাগরিক সমাজের মাঝে এক অভূতপূর্ব স্বস্তি, আশা ও নতুন উদ্দীপনার জন্ম দিয়েছে। বন্যাদুর্গতরা বলছেন, চারদিকের চরম সংকটের মাঝে এই তরুণদের শুকনো খাবার ও জরুরি ঔষধ নিয়ে ছুটে আসার দৃশ্য তাদের বেঁচে থাকার লড়াইকে আরও সহজ করে তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর এই মাঠপর্যায়ের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করা হচ্ছে, যা সংগঠনটির সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক ভয়াবহ ও বিপর্যয়কর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত মানবিক ও আপদকালীন উদ্ধার এবং ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে প্রগতিশীল ও সামাজিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ও বিশেষ জরুরি সেলের নির্দেশনায় ইতিমধ্যেই একটি শক্তিশালী ও সুসজ্জিত স্বেচ্ছাসেবক টিম শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও অতিপ্রয়োজনীয় জরুরি জীবনরক্ষাকারী ওষুধি ও চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছে গেছে। বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে এই জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আল-রিয়াদ আদনান অন্তর অত্যন্ত দৃঢ় ও সংকল্পবদ্ধ কণ্ঠে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বার্তা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, “আমাদের এই মহান ও মানবিক লড়াইয়ের মূল অনুপ্রেরণাই হলেন দেশের মাটি ও মানুষের পরম আশ্রয়, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তাঁরই সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী নির্দেশে এবং মানবিক আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমাদের পুরো টিম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বন্যাকবলিত ও চরম বিপর্যস্ত চট্টগ্রামের অসহায়, সর্বহারা ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে বুক চিতিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে; যতদিন পর্যন্ত দেশের এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত রাজপথে এবং দুর্গম চরাঞ্চলে আমাদের এই ভালোবাসার ও সেবার হাত প্রসারিত থাকবে।”
মাঠপর্যায়ের প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য এবং স্থানীয় সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, চট্টগ্রামের যেসব গ্রামীণ ও চরাঞ্চল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল এবং যেখানে সাধারণ মানুষের তীব্র খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছিল, সেখানে ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর তরুণ কর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই কঠিন মুহূর্তে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের মৌলিক সংকট মোচনে সংগঠনটির এমন দ্রুত ও সময়োপযোগী মানবিক তৎপরতা স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবার এবং সচেতন নাগরিক সমাজের মাঝে এক অভূতপূর্ব স্বস্তি, আশা ও নতুন উদ্দীপনার জন্ম দিয়েছে। বন্যাদুর্গতরা বলছেন, চারদিকের চরম সংকটের মাঝে এই তরুণদের শুকনো খাবার ও জরুরি ঔষধ নিয়ে ছুটে আসার দৃশ্য তাদের বেঁচে থাকার লড়াইকে আরও সহজ করে তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর এই মাঠপর্যায়ের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করা হচ্ছে, যা সংগঠনটির সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন