দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের আড়ালে প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী অঙ্গ-সংগঠনগুলোর তৃণমূল ও মধ্যম সারির নেতাকর্মীদের চিরুনি অভিযান চালিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার এক অভূতপূর্ব ও চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। আজ সোমবার বিকেলে পুলিশ সদরদপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে যে, চলতি বছরের ১ মে থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত আড়াই মাসব্যাপী পরিচালিত বিশেষ অভিযানে দেশজুড়ে মোট ৩২ হাজার ৯০৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; যার পাশাপাশি বিভিন্ন পুরনো মামলার পরোয়ানা তামিল ও অন্যান্য নিয়মিত অভিযানে আরও ৮৩ হাজার ৮১৭ জনকে শ্রীঘরে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন এই মেগা অভিযানকে নিয়মিত আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে দাবি করলেও, মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং বিশ্বস্ত সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে—গ্রেপ্তারকৃতদের এই বিশাল ও সিংহভাগ অংশই হলেন রাজপথের প্রধান শক্তি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের হাজার হাজার সক্রিয় নেতাকর্মী। দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবং বিশেষ করে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ডিসেম্বরের মেগা কামব্যাক ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলের কর্মীরা যেভাবে উজ্জীবিত হচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে তাদের রাজনৈতিকভাবে অবদমিত ও কোণঠাসা করতেই এই পাইকারি হারের বিশেষ দমন-পীড়ন ও গণগ্রেপ্তার চালানো হচ্ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দলটির নীতিনির্ধারকেরা।
আইনি প্রক্রিয়ার নামে বেছে বেছে কেবল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজপথ ও ঘরবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে জেলগেট থেকে একের পর এক নতুন সাজানো মামলায় জড়ানোর এই ন্যাক্কারজনক হিড়িক আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক বিশাল ধাক্কা দিয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বাংলাদেশের এই বর্তমান রাজনৈতিক দমন-পীড়ন এবং পাইকারি হারে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের কারারুদ্ধ করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, কোনো সুনির্দিষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া কেবল রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এভাবে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে মৌলিক নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বৈশ্বিক পর্যবেক্ষকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছেন, বিচারিক প্রক্রিয়াকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজনৈতিক দল দমনের এই মেগা মিশন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের আইনি কাঠামোর বিশ্বাসযোগ্যতাকে সম্পূর্ণ ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের আড়ালে প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী অঙ্গ-সংগঠনগুলোর তৃণমূল ও মধ্যম সারির নেতাকর্মীদের চিরুনি অভিযান চালিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার এক অভূতপূর্ব ও চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান সামনে এসেছে। আজ সোমবার বিকেলে পুলিশ সদরদপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে যে, চলতি বছরের ১ মে থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত আড়াই মাসব্যাপী পরিচালিত বিশেষ অভিযানে দেশজুড়ে মোট ৩২ হাজার ৯০৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; যার পাশাপাশি বিভিন্ন পুরনো মামলার পরোয়ানা তামিল ও অন্যান্য নিয়মিত অভিযানে আরও ৮৩ হাজার ৮১৭ জনকে শ্রীঘরে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন এই মেগা অভিযানকে নিয়মিত আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে দাবি করলেও, মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং বিশ্বস্ত সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে—গ্রেপ্তারকৃতদের এই বিশাল ও সিংহভাগ অংশই হলেন রাজপথের প্রধান শক্তি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের হাজার হাজার সক্রিয় নেতাকর্মী। দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবং বিশেষ করে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ডিসেম্বরের মেগা কামব্যাক ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলের কর্মীরা যেভাবে উজ্জীবিত হচ্ছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে তাদের রাজনৈতিকভাবে অবদমিত ও কোণঠাসা করতেই এই পাইকারি হারের বিশেষ দমন-পীড়ন ও গণগ্রেপ্তার চালানো হচ্ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দলটির নীতিনির্ধারকেরা।
আইনি প্রক্রিয়ার নামে বেছে বেছে কেবল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজপথ ও ঘরবাড়ি থেকে তুলে নিয়ে জেলগেট থেকে একের পর এক নতুন সাজানো মামলায় জড়ানোর এই ন্যাক্কারজনক হিড়িক আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এক বিশাল ধাক্কা দিয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বাংলাদেশের এই বর্তমান রাজনৈতিক দমন-পীড়ন এবং পাইকারি হারে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের কারারুদ্ধ করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, কোনো সুনির্দিষ্ট ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া কেবল রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এভাবে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে মৌলিক নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বৈশ্বিক পর্যবেক্ষকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছেন, বিচারিক প্রক্রিয়াকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজনৈতিক দল দমনের এই মেগা মিশন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের আইনি কাঠামোর বিশ্বাসযোগ্যতাকে সম্পূর্ণ ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন