সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সুনির্দিষ্ট স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথ নিয়ে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মাটিতে এক নতুন ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত আশাবাদী বার্তার উন্মোচন করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সফল মহাসচিব এবং নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ। নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক বিশেষ ও জনাকীর্ণ রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি স্পষ্ট ও দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন, “আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছেন এবং আগামী ডিসেম্বরেই তিনি দেশে ফিরে আসবেন।” বাংলাদেশের পেশাদার সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএফইউজে-এর সাবেক এই শীর্ষ নেতা এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করা এই প্রবীণ সাংবাদিক ব্যক্তিত্বের মুখ থেকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দাঁড়িয়ে এমন সুনির্দিষ্ট সময়ের ঘোষণা আসায় দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে এক নজিরবিহীন উদ্দীপনা, গভীর স্বস্তি ও নতুন প্রাণের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শাবান মাহমুদের এই দূরদর্শী বক্তব্য মাঠপর্যায়ে রাজপথের শক্তিকে নতুন করে উজ্জীবিত করার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক অলিন্দে এক বিশাল সমীকরণের জন্ম দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মহলে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া শাবান মাহমুদের এই অনড় ও ইতিবাচক ঘোষণা বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতার রাজনীতি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মনস্তত্ত্বে এক গভীর আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির কূটনৈতিক অলিন্দে প্রেস মিনিস্টার হিসেবে অত্যন্ত সফলভাবে দায়িত্ব পালন করা এই ঝানু ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক নেতার মুখ থেকে আসা এই সময়োপযোগী তথ্যটি কোনো সাধারণ উক্তি নয়, বরং এর পেছনে সুদূরপ্রসারী সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক রূপরেখা লুকিয়ে রয়েছে। শেখ হাসিনার এই সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশের আপামর আমজনতার মাঝেও এখন এক দারুণ কৌতুহল ও তীব্র আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মতে, দেশের অন্যতম প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ দল আওয়ামী লীগের কোটি কোটি সমর্থক ও কর্মীরা যখন দেশজুড়ে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন, ঠিক তখনই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের এই আসন্ন প্রত্যাবর্তনের খবর তাদের মাঝে সাংগঠনিক পুনর্জাগরণ ও রাজপথে ফেরার এক নতুন আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। একই সাথে এই ঘোষণা আগামী দিনের গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও সর্বদলীয় রাজনৈতিক অংশীদারিত্বের প্রশ্নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন দেশের উদারপন্থী সমাজ।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সুনির্দিষ্ট স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথ নিয়ে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের মাটিতে এক নতুন ঐতিহাসিক ও অত্যন্ত আশাবাদী বার্তার উন্মোচন করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সফল মহাসচিব এবং নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ। নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক বিশেষ ও জনাকীর্ণ রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি স্পষ্ট ও দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন, “আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছেন এবং আগামী ডিসেম্বরেই তিনি দেশে ফিরে আসবেন।” বাংলাদেশের পেশাদার সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএফইউজে-এর সাবেক এই শীর্ষ নেতা এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করা এই প্রবীণ সাংবাদিক ব্যক্তিত্বের মুখ থেকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দাঁড়িয়ে এমন সুনির্দিষ্ট সময়ের ঘোষণা আসায় দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে এক নজিরবিহীন উদ্দীপনা, গভীর স্বস্তি ও নতুন প্রাণের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সফল সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শাবান মাহমুদের এই দূরদর্শী বক্তব্য মাঠপর্যায়ে রাজপথের শক্তিকে নতুন করে উজ্জীবিত করার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক অলিন্দে এক বিশাল সমীকরণের জন্ম দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মহলে এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া শাবান মাহমুদের এই অনড় ও ইতিবাচক ঘোষণা বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতার রাজনীতি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মনস্তত্ত্বে এক গভীর আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির কূটনৈতিক অলিন্দে প্রেস মিনিস্টার হিসেবে অত্যন্ত সফলভাবে দায়িত্ব পালন করা এই ঝানু ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক নেতার মুখ থেকে আসা এই সময়োপযোগী তথ্যটি কোনো সাধারণ উক্তি নয়, বরং এর পেছনে সুদূরপ্রসারী সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক রূপরেখা লুকিয়ে রয়েছে। শেখ হাসিনার এই সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশের আপামর আমজনতার মাঝেও এখন এক দারুণ কৌতুহল ও তীব্র আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মতে, দেশের অন্যতম প্রাচীন ও সর্ববৃহৎ দল আওয়ামী লীগের কোটি কোটি সমর্থক ও কর্মীরা যখন দেশজুড়ে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন, ঠিক তখনই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের এই আসন্ন প্রত্যাবর্তনের খবর তাদের মাঝে সাংগঠনিক পুনর্জাগরণ ও রাজপথে ফেরার এক নতুন আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। একই সাথে এই ঘোষণা আগামী দিনের গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও সর্বদলীয় রাজনৈতিক অংশীদারিত্বের প্রশ্নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন দেশের উদারপন্থী সমাজ।

আপনার মতামত লিখুন