ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও পরিবারের স্বজনরা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের আড়পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তবে মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা অস্বীকার করেছেন থানার ওসি জেল্লাল হোসেন।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানান, সকালে শহরের আড়পাড়া এলাকার নিজ বাড়ির নিচতলায় দলীয় অফিসে বসেছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বিজু। এ সময় অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনা ছিল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করার। এ সময় পুলিশ এসে বাধাগ্রস্ত করে এবং মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর আমাদের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেন। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বিজুর ব্যবহৃত মোবাইল ও মানিব্যাগ পুলিশ নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন নেতাকর্মীরা।
আমাদের প্রতিবেদকের কাছে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান অফিসে বসে আছেন। সেখানে কালীগঞ্জ থানার এসআই শামিনুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য যায়। এ সময় তারা কথা বলেন। পরে মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে অফিসের বাইরে নিয়ে গেলে নেতাকর্মী ও পরিবারের স্বজনরা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, কালীগঞ্জ থানার একটি দল সেখানে গেলে মোস্তাফিজুর রহমান বিজু পালিয়ে যান। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি তিনি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় মোবাইল পড়ে যায়। এটা হেফাজতে আছে। পরিবারের কেউ এলে দিয়ে দিবে। তবে কোনো মানিব্যাগ পাওয়া যায়নি।
বিষয় : আওয়ামী লীগ ঝিনাইদহ

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও পরিবারের স্বজনরা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের আড়পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তবে মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা অস্বীকার করেছেন থানার ওসি জেল্লাল হোসেন।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানান, সকালে শহরের আড়পাড়া এলাকার নিজ বাড়ির নিচতলায় দলীয় অফিসে বসেছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বিজু। এ সময় অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনা ছিল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করার। এ সময় পুলিশ এসে বাধাগ্রস্ত করে এবং মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর আমাদের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেন। এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বিজুর ব্যবহৃত মোবাইল ও মানিব্যাগ পুলিশ নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন নেতাকর্মীরা।
আমাদের প্রতিবেদকের কাছে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান অফিসে বসে আছেন। সেখানে কালীগঞ্জ থানার এসআই শামিনুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য যায়। এ সময় তারা কথা বলেন। পরে মোস্তাফিজুর রহমান বিজুকে ধরে অফিসের বাইরে নিয়ে গেলে নেতাকর্মী ও পরিবারের স্বজনরা তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, কালীগঞ্জ থানার একটি দল সেখানে গেলে মোস্তাফিজুর রহমান বিজু পালিয়ে যান। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি তিনি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় মোবাইল পড়ে যায়। এটা হেফাজতে আছে। পরিবারের কেউ এলে দিয়ে দিবে। তবে কোনো মানিব্যাগ পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন