ঢাকা    বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
Bengali Journal

খেলা

দি মারিয়ার শূন্যস্থান পূরণ করবেন কে

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ
দি মারিয়ার শূন্যস্থান পূরণ করবেন কে
দুই বছর আগেই জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েছেন দি মারিয়া। ছবি: এক্স

গত কয়েক বছরে আর্জেন্টিনার সব শিরোপার সঙ্গে মিশে আছেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুটাও বন্ধু লিওনেল মেসির সঙ্গে। কিন্তু মেসি যেখানে খেলছেন নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, সেখানে আনহেল দি মারিয়া জাতীয় দলের দরজাটা বন্ধ করে দিয়েছেন আরও দু বছর আগে।

কাতারে জেতা শিরোপা ধরে রাখার মিশনে পরিচিত মুখদের নিয়েই কোচ লিওনেল স্কালোনি আর্জেন্টিনার দল সাজিয়েছেন। তবে সেখানে নেই দি মারিয়া। আর্জেন্টাইন ভক্তদের তা নিয়ে কিছুটা হলেও আক্ষেপ রয়েছে। তবে প্রশ্ন হলো দি মারিয়ার রেখে যাওয়া শূন্যস্থান এই বিশ্বকাপে পূরণ করবেন কে।

কাতার বিশ্বকাপে একটি গোলই করেছিলেন দি মারিয়া। সেটি এসেছিল ফাইনালেই। এর আগে কোপা আমেরিকার ফাইনাল ও ফিনালিসিমায়ও গোল করেন। জাতীয় দল থেকে বিদায় নেওয়ার পর থেকেই স্কালোনির মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল যে, থিয়াগো আলমাদাই হতে তাঁর আদর্শ বিকল্প।যদিও দুজনের খেলার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। ভেলেস সার্সফিল্ড থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডার সেই দায়িত্বের চাপও বেশ ভালোভাবেই সামলেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি ম্যাচে তিনি দারুণ পারফর্ম করেছেন; যেমন মন্তেভিদিওতে উরুগুয়ের বিপক্ষে ও মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র হওয়া ম্যাচে গোল করে।

স্কালোনি এক সময়ে বলেছিলেন, ‘আলমাদার ইউরোপীয় ফুটবলে পাড়ি জমানোটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি তাকে যুব দল থেকেই চিনি; সে বিশ্বকাপেও ছিল, তবে আমাদের ধাপে ধাপে এগোতে হবে। সে একটি দুর্দান্ত গোল করেছিল এবং দলের জন্য অবদান রাখাটা তার জন্য ইতিবাচক।’

জাতীয় দলের হয়ে ১৬ ম্যাচে ৫ গোল করা আলমাদার ওপর এই বিশ্বকাপে বাড়তি দায়িত্ব থাকবে। ভোরে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে তিনি শুরু থেকেই খেলবেন বলে ধরা হচ্ছে।

মাঠে নামলে আলমাদা দলকে কী দিতে পারেন? মাঠের সহজাত ফুটবল বুদ্ধি, ছোট ছোট পাসে খেলা, ড্রিবলিং, লিওনেল মেসির সঙ্গে রসায়ন, গোল করার ক্ষমতা এবং প্রচুর পরিশ্রম করার মানসিকতা। নিজে একবার বলেছিলেন, ‘এখনকার দলকে সাহায্য করতে হলে প্রচুর দৌড়াতে হয়। আর আমি তা অনায়াসেই করতে পারি।ইউরোপে আমি নতুন কিছু জিনিস শিখছি, যেমন বল ছাড়া কীভাবে খেলতে হয়, নিজের মুভমেন্ট নিয়ে ভাবা এবং বল রিসিভ করার আগে চারপাশটা ভালোভাবে দেখে নেওয়া।’

মাঝমাঠের দুটি জায়গা স্কালোনি ছেড়ে দিয়েছেন আলেক্সিস মাক আলিস্তার ও এনসো ফের্নান্দেসের ভরসায়। আলমাদাও আরেকটি জায়গা নিজের করে নেওয়ার পথে আছেন বলে মনে হচ্ছে, যদিও আতলেতিকো দি মাদ্রিদে পর্যাপ্ত খেলার সুযোগ না পাওয়াটা তাঁকে পুরোপুরি থিতু হতে বাধা দিচ্ছে। ওই জায়গাটির জন্য জিওভানি লো চেলসো, নিকোলাস গনসালেস এবং জুলিয়ানো সিমিওনেও লড়াই করছেন।

কয়েক দিন আগে স্কালোনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘এখানে দ্রুত গতির ফুটবল নিয়ে কথা বলা বৃথা, কারণ আমাদের খেলা সেভাবে চলে না। পাসের পর পাস দেওয়া এবং সবাই মিলে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়াই আমাদের সেরা রূপ। আমাদের পরিকল্পনা একদম স্পষ্ট এবং কোনো ভিন্নধর্মী খেলার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হলেও আমরা আমাদের আসল ঘরানা থেকে বিচ্যুত হব না।’

বিষয় : খেলা ফুটবল আর্জেন্টিনা ফুটবল ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন

Bengali Journal

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬


দি মারিয়ার শূন্যস্থান পূরণ করবেন কে

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

গত কয়েক বছরে আর্জেন্টিনার সব শিরোপার সঙ্গে মিশে আছেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুটাও বন্ধু লিওনেল মেসির সঙ্গে। কিন্তু মেসি যেখানে খেলছেন নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ, সেখানে আনহেল দি মারিয়া জাতীয় দলের দরজাটা বন্ধ করে দিয়েছেন আরও দু বছর আগে।

কাতারে জেতা শিরোপা ধরে রাখার মিশনে পরিচিত মুখদের নিয়েই কোচ লিওনেল স্কালোনি আর্জেন্টিনার দল সাজিয়েছেন। তবে সেখানে নেই দি মারিয়া। আর্জেন্টাইন ভক্তদের তা নিয়ে কিছুটা হলেও আক্ষেপ রয়েছে। তবে প্রশ্ন হলো দি মারিয়ার রেখে যাওয়া শূন্যস্থান এই বিশ্বকাপে পূরণ করবেন কে।

কাতার বিশ্বকাপে একটি গোলই করেছিলেন দি মারিয়া। সেটি এসেছিল ফাইনালেই। এর আগে কোপা আমেরিকার ফাইনাল ও ফিনালিসিমায়ও গোল করেন। জাতীয় দল থেকে বিদায় নেওয়ার পর থেকেই স্কালোনির মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল যে, থিয়াগো আলমাদাই হতে তাঁর আদর্শ বিকল্প।যদিও দুজনের খেলার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। ভেলেস সার্সফিল্ড থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডার সেই দায়িত্বের চাপও বেশ ভালোভাবেই সামলেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি ম্যাচে তিনি দারুণ পারফর্ম করেছেন; যেমন মন্তেভিদিওতে উরুগুয়ের বিপক্ষে ও মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র হওয়া ম্যাচে গোল করে।

স্কালোনি এক সময়ে বলেছিলেন, ‘আলমাদার ইউরোপীয় ফুটবলে পাড়ি জমানোটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি তাকে যুব দল থেকেই চিনি; সে বিশ্বকাপেও ছিল, তবে আমাদের ধাপে ধাপে এগোতে হবে। সে একটি দুর্দান্ত গোল করেছিল এবং দলের জন্য অবদান রাখাটা তার জন্য ইতিবাচক।’

জাতীয় দলের হয়ে ১৬ ম্যাচে ৫ গোল করা আলমাদার ওপর এই বিশ্বকাপে বাড়তি দায়িত্ব থাকবে। ভোরে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে তিনি শুরু থেকেই খেলবেন বলে ধরা হচ্ছে।

মাঠে নামলে আলমাদা দলকে কী দিতে পারেন? মাঠের সহজাত ফুটবল বুদ্ধি, ছোট ছোট পাসে খেলা, ড্রিবলিং, লিওনেল মেসির সঙ্গে রসায়ন, গোল করার ক্ষমতা এবং প্রচুর পরিশ্রম করার মানসিকতা। নিজে একবার বলেছিলেন, ‘এখনকার দলকে সাহায্য করতে হলে প্রচুর দৌড়াতে হয়। আর আমি তা অনায়াসেই করতে পারি।ইউরোপে আমি নতুন কিছু জিনিস শিখছি, যেমন বল ছাড়া কীভাবে খেলতে হয়, নিজের মুভমেন্ট নিয়ে ভাবা এবং বল রিসিভ করার আগে চারপাশটা ভালোভাবে দেখে নেওয়া।’

মাঝমাঠের দুটি জায়গা স্কালোনি ছেড়ে দিয়েছেন আলেক্সিস মাক আলিস্তার ও এনসো ফের্নান্দেসের ভরসায়। আলমাদাও আরেকটি জায়গা নিজের করে নেওয়ার পথে আছেন বলে মনে হচ্ছে, যদিও আতলেতিকো দি মাদ্রিদে পর্যাপ্ত খেলার সুযোগ না পাওয়াটা তাঁকে পুরোপুরি থিতু হতে বাধা দিচ্ছে। ওই জায়গাটির জন্য জিওভানি লো চেলসো, নিকোলাস গনসালেস এবং জুলিয়ানো সিমিওনেও লড়াই করছেন।

কয়েক দিন আগে স্কালোনি সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘এখানে দ্রুত গতির ফুটবল নিয়ে কথা বলা বৃথা, কারণ আমাদের খেলা সেভাবে চলে না। পাসের পর পাস দেওয়া এবং সবাই মিলে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়াই আমাদের সেরা রূপ। আমাদের পরিকল্পনা একদম স্পষ্ট এবং কোনো ভিন্নধর্মী খেলার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হলেও আমরা আমাদের আসল ঘরানা থেকে বিচ্যুত হব না।’


Bengali Journal

প্রধান নির্বাহী পরিচালকঃ সাব্বির আহমেদ সায়েম।
Copyright © 2026 Bengali Journal
দি মারিয়ার শূন্যস্থান পূরণ করবেন কে
0:00 0:00
1.0x