ঢাকা    শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
Bengali Journal

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

শেখ হাসিনাই‌ প্রথম বাংলাদেশর প্রান্তিক পর্যায়ের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ কর্মসূচী শুরু করেছিলেন

শেখ হাসিনাই‌ প্রথম বাংলাদেশর প্রান্তিক পর্যায়ের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ কর্মসূচী শুরু করেছিলেন

বাংলাদেশের প্রান্তিক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং বিনামূল্যে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বকালের সবচেয়ে সফল ও জনবান্ধব উদ্যোগ হলো 'কমিউনিটি ক্লিনিক'। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ইতিহাসে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা এই সমন্বিত স্বাস্থ্য মডেলের মূল রূপকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলেই আজ দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ নিজ গ্রামে বসেই মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ পাচ্ছেন।

উদ্যোগের পটভূমি ও শেখ হাসিনার রূপকল্প

১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার দেশের তৃণমূল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাকষ্ট দূর করতে ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’ নামক এক অভিনব ধারণার প্রবর্তন করেন।

প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য: প্রতি ৬ হাজার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিত করতে একটি করে ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়ে ১৯৯৮ সালে এর আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

শুভ উদ্বোধন: ২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতীতে দেশের সর্বপ্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকটি উদ্বোধন করেন।

বিনামূল্যে ৩০ ধরনের ওষুধ ও প্রসূতি সেবা

শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এই ক্লিনিকগুলো শুধু পরামর্শ কেন্দ্র হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং দরিদ্র মানুষের হাতে বিনামূল্যে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার এক ঐতিহাসিক মাধ্যমে পরিণত হয়।

বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ: প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সাধারণ মানুষের জন্য ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, সাধারণ সর্দি-কাশি ও গ্যাস্ট্রিকসহ বিভিন্ন জটিল ও সাধারণ রোগের প্রায় ৩০ ধরনের প্রয়োজনীয় ওষুধ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।

মা ও শিশু স্বাস্থ্য: বিশেষ করে গ্রামপর্যায়ে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতকরণ, মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং সার্বিক টিকাদান কর্মসূচিতে (EPI) এই সেবা কেন্দ্রগুলো অতুলনীয় অবদান রেখে আসছে।

জাতিসংঘে 'শেখ হাসিনা উদ্যোগ' হিসেবে বিশ্বস্বীকৃতি

শেখ হাসিনার এই দূরদর্শী স্বাস্থ্য মডেলটি কেবল বাংলাদেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অর্জন করেছে অনন্য সম্মান।

জাতিসংঘের ঐতিহাসিক প্রস্তাব: ২০২৩ সালে জাতিসংঘ (UN) সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে এই মডেলটিকে স্বীকৃতি দিয়ে 'দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ' (The Sheikh Hasina Initiative) শিরোনামে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

বিশ্বমঞ্চে রোল মডেল: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এটিকে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার এক বৈশ্বিক 'রোল মডেল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

তৃণমূলের আস্থার প্রতীক

দেশের স্বাস্থ্য খাতকে একদম মেহনতি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার এই মহান ও যুগান্তকারী অবদান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর হৃদয়ে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন

Bengali Journal

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬


শেখ হাসিনাই‌ প্রথম বাংলাদেশর প্রান্তিক পর্যায়ের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ কর্মসূচী শুরু করেছিলেন

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের প্রান্তিক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং বিনামূল্যে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বকালের সবচেয়ে সফল ও জনবান্ধব উদ্যোগ হলো 'কমিউনিটি ক্লিনিক'। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ইতিহাসে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা এই সমন্বিত স্বাস্থ্য মডেলের মূল রূপকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলেই আজ দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ নিজ গ্রামে বসেই মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনরক্ষাকারী ওষুধ পাচ্ছেন।

উদ্যোগের পটভূমি ও শেখ হাসিনার রূপকল্প

১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার দেশের তৃণমূল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাকষ্ট দূর করতে ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’ নামক এক অভিনব ধারণার প্রবর্তন করেন।

প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য: প্রতি ৬ হাজার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিত করতে একটি করে ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়ে ১৯৯৮ সালে এর আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

শুভ উদ্বোধন: ২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার পাটগাতীতে দেশের সর্বপ্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকটি উদ্বোধন করেন।

বিনামূল্যে ৩০ ধরনের ওষুধ ও প্রসূতি সেবা

শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এই ক্লিনিকগুলো শুধু পরামর্শ কেন্দ্র হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং দরিদ্র মানুষের হাতে বিনামূল্যে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার এক ঐতিহাসিক মাধ্যমে পরিণত হয়।

বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ: প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সাধারণ মানুষের জন্য ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, সাধারণ সর্দি-কাশি ও গ্যাস্ট্রিকসহ বিভিন্ন জটিল ও সাধারণ রোগের প্রায় ৩০ ধরনের প্রয়োজনীয় ওষুধ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।

মা ও শিশু স্বাস্থ্য: বিশেষ করে গ্রামপর্যায়ে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিতকরণ, মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং সার্বিক টিকাদান কর্মসূচিতে (EPI) এই সেবা কেন্দ্রগুলো অতুলনীয় অবদান রেখে আসছে।

জাতিসংঘে 'শেখ হাসিনা উদ্যোগ' হিসেবে বিশ্বস্বীকৃতি

শেখ হাসিনার এই দূরদর্শী স্বাস্থ্য মডেলটি কেবল বাংলাদেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অর্জন করেছে অনন্য সম্মান।

জাতিসংঘের ঐতিহাসিক প্রস্তাব: ২০২৩ সালে জাতিসংঘ (UN) সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে এই মডেলটিকে স্বীকৃতি দিয়ে 'দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ' (The Sheikh Hasina Initiative) শিরোনামে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

বিশ্বমঞ্চে রোল মডেল: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এটিকে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার এক বৈশ্বিক 'রোল মডেল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

তৃণমূলের আস্থার প্রতীক

দেশের স্বাস্থ্য খাতকে একদম মেহনতি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার এই মহান ও যুগান্তকারী অবদান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর হৃদয়ে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।


Bengali Journal

প্রধান নির্বাহী পরিচালকঃ সাব্বির আহমেদ সায়েম।
Copyright © 2026 Bengali Journal
শেখ হাসিনাই‌ প্রথম বাংলাদেশর প্রান্তিক পর্যায়ের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ কর্মসূচী শুরু করেছিলেন
0:00 0:00
1.0x