কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের ভূরকাপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীতে নিখোঁজ হওয়া পাঁচ বছরের শিশু নূরিয়া খাতুনের মরদেহ ২৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে পার্শ্ববর্তী মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকার মীর আব্দুল করিম কলেজসংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন। নিহত নূরিয়া খাতুন (৫) কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ গ্রামের আশিক শেখের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকায় পদ্মা নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা মরদেহটি নদীর তীরে আটকে রেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিখোঁজ শিশুর স্বজনরা সেখানে গিয়ে মরদেহটি নূরিয়া খাতুনের বলে শনাক্ত করেন।
লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে বুধবার দুপুরে দৌলতপুর উপজেলার ভূরকাপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছিল। এ সময় নূরিয়া ও জামিলা নামে দুই শিশু জিও ব্যাগের ওপর বসে খেলছিল। হঠাৎ নদীর পাড় ধসে জিও ব্যাগসহ তারা নদীতে পড়ে যায়। জামিলা কোনোভাবে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও নূরিয়া প্রবলস্রোতে তলিয়ে যায়।
পরে জামিলা কান্নাকাটি করে বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, দৌলতপুর থানা পুলিশ এবং খুলনা থেকে আসা ডুবুরি দল টানা ২৮ ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।
তবে শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকায় পদ্মা নদী থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান বলেন, মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকায় স্থানীয়রা নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি নূরিয়া খাতুনের বলে শনাক্ত করেন। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের ভূরকাপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীতে নিখোঁজ হওয়া পাঁচ বছরের শিশু নূরিয়া খাতুনের মরদেহ ২৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে পার্শ্ববর্তী মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকার মীর আব্দুল করিম কলেজসংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন। নিহত নূরিয়া খাতুন (৫) কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ গ্রামের আশিক শেখের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকায় পদ্মা নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা মরদেহটি নদীর তীরে আটকে রেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিখোঁজ শিশুর স্বজনরা সেখানে গিয়ে মরদেহটি নূরিয়া খাতুনের বলে শনাক্ত করেন।
লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে বুধবার দুপুরে দৌলতপুর উপজেলার ভূরকাপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছিল। এ সময় নূরিয়া ও জামিলা নামে দুই শিশু জিও ব্যাগের ওপর বসে খেলছিল। হঠাৎ নদীর পাড় ধসে জিও ব্যাগসহ তারা নদীতে পড়ে যায়। জামিলা কোনোভাবে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও নূরিয়া প্রবলস্রোতে তলিয়ে যায়।
পরে জামিলা কান্নাকাটি করে বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, দৌলতপুর থানা পুলিশ এবং খুলনা থেকে আসা ডুবুরি দল টানা ২৮ ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।
তবে শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকায় পদ্মা নদী থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান বলেন, মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকায় স্থানীয়রা নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি নূরিয়া খাতুনের বলে শনাক্ত করেন। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন