উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাট জেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৬টার তথ্য অনুযায়ী দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৫২.২৮ মিটার। এই পয়েন্টে পানির বিপদসীমা ৫২.১৫ মিটার। ফলে বর্তমানে তিস্তার পানি বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। হঠাৎ পানি বাড়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের জলকপাটগুলো (স্লুইস গেট) খুলে দেওয়া হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাট জেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৬টার তথ্য অনুযায়ী দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৫২.২৮ মিটার। এই পয়েন্টে পানির বিপদসীমা ৫২.১৫ মিটার। ফলে বর্তমানে তিস্তার পানি বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। হঠাৎ পানি বাড়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের জলকপাটগুলো (স্লুইস গেট) খুলে দেওয়া হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন