দেশের চলমান তীব্র অর্থনৈতিক সংকট, বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সামগ্রিক অবক্ষয়ের মাঝেই এবার সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভেতর থেকে এক নজিরবিহীন ও বিস্ফোরক আত্মোপলব্ধির বক্তব্য সামনে এসেছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনীতির মাঠকে মুহূর্তের মধ্যে তোলপাড় করে তুলেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন গ্রুপ ও প্রকাশ্য আলোচনায় এক সাধারণ শিক্ষার্থী অত্যন্ত অনুশোচনা ও ক্ষোভের সাথে অকপটে স্বীকার করেছেন— “আমরা স্টুডেন্টরা বোকামি করে শেখ হাসিনাকে পাঠাইছি; এখন দেশের এই চরম অবস্থায় আমরা উনাকে আবারও স্বদেশে ব্যাক (ফিরিয়ে) চাই।” ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার পটপরিবর্তনের পর যখন ধারণা করা হচ্ছিল যে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা বিগত সরকারের পুরোপুরি বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, ঠিক সেই সময়ে খোদ সাধারণ শিক্ষার্থীদের মুখ থেকে এমন সরাসরি ও লোহা-কাঁপানো স্বীকারোক্তি দেশের রাজনৈতিক বোদ্ধা ও নীতিনির্ধারকদের রীতিমতো স্তম্ভিত করে দিয়েছে। এই একটিমাত্র মন্তব্য যেন পুরো দেশের ছাত্রসমাজের ভেতরের অলিন্দে জমে থাকা চাপা ক্ষোভ ও মোহভঙ্গের এক জীবন্ত দলিল হিসেবে সামনে এসেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে তৈরি হওয়া অস্থিরতা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তার অভাবই শিক্ষার্থীদের এই আকস্মিক মনস্তাত্ত্বিক ইউ-টার্নের প্রধান কারণ। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এখন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অনুধাবন করছেন যে, দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কোনো বিকল্প ছিল না, যা তাদের এই প্রকাশ্য ‘ব্যাক চাই’ স্লোগানের মাধ্যমে ফুটে উঠছে। এই চাঞ্চল্যকর বক্তব্য সামনে আসার পর দীর্ঘদিন ধরে কোণঠাসা ও আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে যেমন নতুন করে আশার সঞ্চার ও রাজপথে ফেরার উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, ঠিক তেমনি প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শিবির ও সমমনা দলগুলোর নীতিনির্ধারক মহলে এক অঘোষিত অস্বস্তি ও চরম মনস্তাত্ত্বিক উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ জাতীয়, ক্রাইম ও কৌশলগত রাজনৈতিক উইং সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই নতুন মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের গতিধারা, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোর অভ্যন্তরীণ প্রতিক্রিয়া এবং আগামী দিনের ছাত্র রাজনীতির নতুন মেরুকরণের প্রতিটি মুহূর্তের খবরাখবর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
দেশের চলমান তীব্র অর্থনৈতিক সংকট, বাজার সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সামগ্রিক অবক্ষয়ের মাঝেই এবার সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভেতর থেকে এক নজিরবিহীন ও বিস্ফোরক আত্মোপলব্ধির বক্তব্য সামনে এসেছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনীতির মাঠকে মুহূর্তের মধ্যে তোলপাড় করে তুলেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন গ্রুপ ও প্রকাশ্য আলোচনায় এক সাধারণ শিক্ষার্থী অত্যন্ত অনুশোচনা ও ক্ষোভের সাথে অকপটে স্বীকার করেছেন— “আমরা স্টুডেন্টরা বোকামি করে শেখ হাসিনাকে পাঠাইছি; এখন দেশের এই চরম অবস্থায় আমরা উনাকে আবারও স্বদেশে ব্যাক (ফিরিয়ে) চাই।” ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার পটপরিবর্তনের পর যখন ধারণা করা হচ্ছিল যে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা বিগত সরকারের পুরোপুরি বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, ঠিক সেই সময়ে খোদ সাধারণ শিক্ষার্থীদের মুখ থেকে এমন সরাসরি ও লোহা-কাঁপানো স্বীকারোক্তি দেশের রাজনৈতিক বোদ্ধা ও নীতিনির্ধারকদের রীতিমতো স্তম্ভিত করে দিয়েছে। এই একটিমাত্র মন্তব্য যেন পুরো দেশের ছাত্রসমাজের ভেতরের অলিন্দে জমে থাকা চাপা ক্ষোভ ও মোহভঙ্গের এক জীবন্ত দলিল হিসেবে সামনে এসেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে তৈরি হওয়া অস্থিরতা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তার অভাবই শিক্ষার্থীদের এই আকস্মিক মনস্তাত্ত্বিক ইউ-টার্নের প্রধান কারণ। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এখন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অনুধাবন করছেন যে, দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কোনো বিকল্প ছিল না, যা তাদের এই প্রকাশ্য ‘ব্যাক চাই’ স্লোগানের মাধ্যমে ফুটে উঠছে। এই চাঞ্চল্যকর বক্তব্য সামনে আসার পর দীর্ঘদিন ধরে কোণঠাসা ও আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে যেমন নতুন করে আশার সঞ্চার ও রাজপথে ফেরার উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, ঠিক তেমনি প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শিবির ও সমমনা দলগুলোর নীতিনির্ধারক মহলে এক অঘোষিত অস্বস্তি ও চরম মনস্তাত্ত্বিক উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ জাতীয়, ক্রাইম ও কৌশলগত রাজনৈতিক উইং সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই নতুন মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের গতিধারা, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোর অভ্যন্তরীণ প্রতিক্রিয়া এবং আগামী দিনের ছাত্র রাজনীতির নতুন মেরুকরণের প্রতিটি মুহূর্তের খবরাখবর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

আপনার মতামত লিখুন