দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব ও বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ঝড় তুলে অবশেষে চরম রক্তক্ষয়ী ও দীর্ঘমেয়াদি মুক্তিসংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ে পাকিস্তান থেকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে বেলুচিস্তানের মুক্তিকামী সাধারণ জনগণ ও তাদের সশস্ত্র বিপ্লবী নেতৃত্ব। দশকের পর দশক ধরে চলা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চরম অর্থনৈতিক শোষণ, নির্মম সামরিক নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বেলুচিস্তানের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান শহরগুলোতে এখন তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছে। চলমান এই ঐতিহাসিক স্বাধীনতা আন্দোলনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, বেলুচ নেতাদের বিভিন্ন বিশাল সভা-সমাবেশ ও উত্তাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে লাখো মানুষ এখন বজ্রকণ্ঠে স্লোগান দিচ্ছেন— “শেখ মুজিবের পথ ধরো, বেলুচিস্তান স্বাধীন করো।” ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আপসহীন নেতৃত্ব এবং বাঙালি জাতির রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্তানের শৃঙ্খল ভেঙে বাংলাদেশ স্বাধীন করার সেই অমোঘ ইতিহাস আজ বেলুচ জনগণের মুক্তির প্রধানতম রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক দর্শনে পরিণত হয়েছে, যা পাকিস্তানের সামরিক এস্টাবলিশমেন্টের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ও ভূ-রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মতে, বেলুচিস্তানের এই প্রকাশ্য স্বাধীনতার ঘোষণা এবং জনসমাবেশে বাংলাদেশের ইতিহাসকে স্মরণ করা বিশ্ব মানচিত্রে পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এক চরম সংকট ও অস্তিত্বের প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে। বেলুচ লিবারেশন আর্মি ও প্রগতিশীল বেলুচ রাজনৈতিক দলগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে যেভাবে বাঙালি নারীদের ওপর ও নিরীহ জনগণের ওপর গণহত্যা চালানো হয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় বেলুচিস্তানেও হাজার হাজার তরুণের ওপর জোরপূর্বক গুম ও হত্যাযজ্ঞ চালানো হচ্ছে। এই চরম অত্যাচার থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হিসেবে তারা ১৯৭১ সালের বীর বাঙালিদের সেই ঐতিহাসিক সশস্ত্র প্রতিরোধকেই আদর্শ হিসেবে বেছে নিয়েছে। পুরো বেলুচিস্তান জুড়ে পাকিস্তানি পতাকা পুড়িয়ে দেওয়ার এবং সমান্তরাল স্বাধীন সরকার গঠনের এই প্রকাশ্য ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পাড়াগুলোতে তুমুল তোলপাড় শুরু হয়েছে, যেখানে জাতিসংঘসহ পরাশক্তিগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ আন্তর্জাতিক, কৌশলগত ভূ-রাজনীতি ও ক্রাইম উইং বেলুচিস্তানের এই মেগা স্বাধীনতা ঘোষণার পর ইসলামাবাদের সামরিক কোয়ার্টারের অভ্যন্তরীণ পাল্টা সামরিক অ্যাকশন, ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকার সামরিক গতিবিধি এবং জাতিসংঘের আসন্ন বিশেষ নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনের প্রতিটি মুহূর্তের খবরাখবর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব ও বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ঝড় তুলে অবশেষে চরম রক্তক্ষয়ী ও দীর্ঘমেয়াদি মুক্তিসংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ে পাকিস্তান থেকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে বেলুচিস্তানের মুক্তিকামী সাধারণ জনগণ ও তাদের সশস্ত্র বিপ্লবী নেতৃত্ব। দশকের পর দশক ধরে চলা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চরম অর্থনৈতিক শোষণ, নির্মম সামরিক নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে বেলুচিস্তানের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান শহরগুলোতে এখন তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছে। চলমান এই ঐতিহাসিক স্বাধীনতা আন্দোলনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, বেলুচ নেতাদের বিভিন্ন বিশাল সভা-সমাবেশ ও উত্তাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে লাখো মানুষ এখন বজ্রকণ্ঠে স্লোগান দিচ্ছেন— “শেখ মুজিবের পথ ধরো, বেলুচিস্তান স্বাধীন করো।” ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আপসহীন নেতৃত্ব এবং বাঙালি জাতির রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্তানের শৃঙ্খল ভেঙে বাংলাদেশ স্বাধীন করার সেই অমোঘ ইতিহাস আজ বেলুচ জনগণের মুক্তির প্রধানতম রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক দর্শনে পরিণত হয়েছে, যা পাকিস্তানের সামরিক এস্টাবলিশমেন্টের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ও ভূ-রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মতে, বেলুচিস্তানের এই প্রকাশ্য স্বাধীনতার ঘোষণা এবং জনসমাবেশে বাংলাদেশের ইতিহাসকে স্মরণ করা বিশ্ব মানচিত্রে পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এক চরম সংকট ও অস্তিত্বের প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে। বেলুচ লিবারেশন আর্মি ও প্রগতিশীল বেলুচ রাজনৈতিক দলগুলো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে যেভাবে বাঙালি নারীদের ওপর ও নিরীহ জনগণের ওপর গণহত্যা চালানো হয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় বেলুচিস্তানেও হাজার হাজার তরুণের ওপর জোরপূর্বক গুম ও হত্যাযজ্ঞ চালানো হচ্ছে। এই চরম অত্যাচার থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হিসেবে তারা ১৯৭১ সালের বীর বাঙালিদের সেই ঐতিহাসিক সশস্ত্র প্রতিরোধকেই আদর্শ হিসেবে বেছে নিয়েছে। পুরো বেলুচিস্তান জুড়ে পাকিস্তানি পতাকা পুড়িয়ে দেওয়ার এবং সমান্তরাল স্বাধীন সরকার গঠনের এই প্রকাশ্য ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পাড়াগুলোতে তুমুল তোলপাড় শুরু হয়েছে, যেখানে জাতিসংঘসহ পরাশক্তিগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ আন্তর্জাতিক, কৌশলগত ভূ-রাজনীতি ও ক্রাইম উইং বেলুচিস্তানের এই মেগা স্বাধীনতা ঘোষণার পর ইসলামাবাদের সামরিক কোয়ার্টারের অভ্যন্তরীণ পাল্টা সামরিক অ্যাকশন, ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকার সামরিক গতিবিধি এবং জাতিসংঘের আসন্ন বিশেষ নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনের প্রতিটি মুহূর্তের খবরাখবর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

আপনার মতামত লিখুন