রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত সম্পূর্ণ মিথ্যা ও অবাস্তব ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করার এক নজিরবিহীন ও সংবেদনশীল ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি অনুদানের মাত্র ২ বস্তা চাল সরিয়ে রাখার যে ঠুনকো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছিল, বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ অনুসন্ধানী টিম সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে তার আসল সত্য উদ্ঘাটন করেছে। মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে, ঐ ২ বস্তা চাল আত্মসাৎ বা অপচয়ের জন্য নয়, বরং ইউনিয়ন পরিষদে বিনা বেতনে রাত-দিন নিরলস পরিশ্রম করা ও নিয়মিত নাগরিক সেবা দেওয়া কম্পিউটার অপারেটরদের জন্য ইউপি সদস্যদের যৌথ সিদ্ধান্তে বৈধভাবে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। বরাদ্দের নিয়ম অনুযায়ী চাল নেওয়ার পর ঐদিন অপারেটরেরা কাজ শেষে বিকেলে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তা পরিষদেই রেখেছিলেন। কিন্তু সেই মুহূর্তেই কিছু উগ্রপন্থী বিএনপি-জামায়াত সমর্থক সুপরিকল্পিতভাবে রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে এসে এক অনাকাঙ্ক্ষিত মব (Mob) বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করে এবং চাল বিতরণ না করে রেখে দেওয়াকে জোরপূর্বক ইস্যু বানিয়ে চরম অরাজকতা চালায়। পরবর্তীতে বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রশাসন কোনো প্রকার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়াই কেবল স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীদের চাপ ও ইশারায় একজন সজ্জন ও আইনানুগ নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে অন্যায়ভাবে অপসারণের নোটিশ জারি করে, যা পুরো রাজবাড়ী জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় তুলেছে।
সরেজমিনে তদন্তে ও স্থানীয় প্রবীণ নাগরিকদের জবানবন্দিতে এটিও উঠে এসেছে যে, মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফা রতনদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় একনিষ্ঠ নেত্রী এবং এলাকার অত্যন্ত সচ্ছল ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান, যাঁর ব্যক্তিগত জীবনে কোনো প্রকার দুর্নীতির দাগ নেই। মূলত তাঁর এই সততা ও জনপ্রিয়তার কারণে দীর্ঘদিন ধরে একটি কুচক্রী মহল তাঁকে রাজনৈতিকভাবে পরাস্ত ও অপসারণ করার নানামুখী নীল নকশা করে আসছিল, যার চূড়ান্ত বাস্তবায়ন ঘটানো হলো এই মব সংস্কৃতির আড়ালে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও বেআইনি অপসারণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক সফল রেলমন্ত্রী এবং রাজবাড়ী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুল হাকিম, এমপি। তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ কণ্ঠে গণমাধ্যমকে বলেছেন, “মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফাকে অপসারণের এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ সুপরিকল্পিত, ভিত্তিহীন ও চরম প্রতিহিংসামূলক। একজন আজীবন সৎ ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সমাজসেবিকা নেত্রীকে মাত্র ২ বস্তা চালের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাড়ানো শিক্ষা ও আইনি ব্যবস্থার জন্য এক কালো অধ্যায়।” বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ জাতীয়, ক্রাইম ও মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক উইং রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের এই বিতর্কিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের আইনি বৈধতা, সাবেক রেলমন্ত্রীর পরবর্তী সাংগঠনিক প্রতিবাদ কর্মসূচি এবং নিলুফা চেয়ারম্যানের পক্ষে উচ্চ আদালতে রিট আবেদনের প্রতিটি মুহূর্তের খবরাখবর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত সম্পূর্ণ মিথ্যা ও অবাস্তব ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করার এক নজিরবিহীন ও সংবেদনশীল ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি অনুদানের মাত্র ২ বস্তা চাল সরিয়ে রাখার যে ঠুনকো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছিল, বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ অনুসন্ধানী টিম সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে তার আসল সত্য উদ্ঘাটন করেছে। মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে, ঐ ২ বস্তা চাল আত্মসাৎ বা অপচয়ের জন্য নয়, বরং ইউনিয়ন পরিষদে বিনা বেতনে রাত-দিন নিরলস পরিশ্রম করা ও নিয়মিত নাগরিক সেবা দেওয়া কম্পিউটার অপারেটরদের জন্য ইউপি সদস্যদের যৌথ সিদ্ধান্তে বৈধভাবে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। বরাদ্দের নিয়ম অনুযায়ী চাল নেওয়ার পর ঐদিন অপারেটরেরা কাজ শেষে বিকেলে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তা পরিষদেই রেখেছিলেন। কিন্তু সেই মুহূর্তেই কিছু উগ্রপন্থী বিএনপি-জামায়াত সমর্থক সুপরিকল্পিতভাবে রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে এসে এক অনাকাঙ্ক্ষিত মব (Mob) বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করে এবং চাল বিতরণ না করে রেখে দেওয়াকে জোরপূর্বক ইস্যু বানিয়ে চরম অরাজকতা চালায়। পরবর্তীতে বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রশাসন কোনো প্রকার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়াই কেবল স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীদের চাপ ও ইশারায় একজন সজ্জন ও আইনানুগ নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে অন্যায়ভাবে অপসারণের নোটিশ জারি করে, যা পুরো রাজবাড়ী জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় তুলেছে।
সরেজমিনে তদন্তে ও স্থানীয় প্রবীণ নাগরিকদের জবানবন্দিতে এটিও উঠে এসেছে যে, মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফা রতনদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় একনিষ্ঠ নেত্রী এবং এলাকার অত্যন্ত সচ্ছল ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান, যাঁর ব্যক্তিগত জীবনে কোনো প্রকার দুর্নীতির দাগ নেই। মূলত তাঁর এই সততা ও জনপ্রিয়তার কারণে দীর্ঘদিন ধরে একটি কুচক্রী মহল তাঁকে রাজনৈতিকভাবে পরাস্ত ও অপসারণ করার নানামুখী নীল নকশা করে আসছিল, যার চূড়ান্ত বাস্তবায়ন ঘটানো হলো এই মব সংস্কৃতির আড়ালে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও বেআইনি অপসারণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক সফল রেলমন্ত্রী এবং রাজবাড়ী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুল হাকিম, এমপি। তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ কণ্ঠে গণমাধ্যমকে বলেছেন, “মেহেদী হাসিনা পারভীন নিলুফাকে অপসারণের এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ সুপরিকল্পিত, ভিত্তিহীন ও চরম প্রতিহিংসামূলক। একজন আজীবন সৎ ও উচ্চবিত্ত পরিবারের সমাজসেবিকা নেত্রীকে মাত্র ২ বস্তা চালের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাড়ানো শিক্ষা ও আইনি ব্যবস্থার জন্য এক কালো অধ্যায়।” বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ জাতীয়, ক্রাইম ও মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক উইং রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের এই বিতর্কিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের আইনি বৈধতা, সাবেক রেলমন্ত্রীর পরবর্তী সাংগঠনিক প্রতিবাদ কর্মসূচি এবং নিলুফা চেয়ারম্যানের পক্ষে উচ্চ আদালতে রিট আবেদনের প্রতিটি মুহূর্তের খবরাখবর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

আপনার মতামত লিখুন