মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত এবং আন্দোলন-সংগ্রামের চিরন্তন আঁতুরঘর হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকার বুকে প্রকাশ্য দিবালোকে এক বাঙালি যুবককে পাকিস্তানি দম্পতি কর্তৃক মারধর করার এক অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক, ধিক্কারজনক ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। আজ সকালে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত এই বিদ্যাপীঠের ঠিক সামনেই এক বাঙালি মোটরবাইক আরোহীর ওপর এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনাটি ঘটে, যার একটি ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই বাঙালি যুবক জানান, তিনি নিজের বাইক নিয়ে রাস্তা দিয়ে আসছিলেন, ঠিক তখনই তাঁর পেছনে থাকা ওই পাকিস্তানি দম্পতির গাড়িটি এসে তাঁর বাইকে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা দেয়। শুধু ধাক্কা দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, বরং ধাক্কা দিয়ে বাইকসহ যুবকটিকে ঠেলে বেশ কিছুটা সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। চরম মৃত্যুর মুখ থেকে কোনোমতে বেঁচে ফিরে ওই যুবক গাড়িটি থামালে, গাড়ি থেকে নেমে ওই পাকিস্তানি নাগরিক উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে বাঙালি যুবককে বেদম মারধর শুরু করে এবং প্রকাশ্য রাস্তায় একের পর এক থাপ্পড় মারতে থাকে। স্বাধীন বাংলাদেশের হৃদপিণ্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একাত্তরের পরাজিত শক্তির এমন দুঃসাহসিক ও ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণে ক্ষুব্ধ নেটিজেন এবং সচেতন নাগরিক সমাজ তীব্র প্রশ্ন তুলে বলছেন—স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পরেও দেশের মাটিতে বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানিদের এমন চড়াও হওয়ার সাহস কীভাবে হয়? ৭১-এর সেই রক্তচোষা শকুনরা কি তবে আবারও এই বাংলায় ডানা মেলার দুঃসাহস দেখাচ্ছে?

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত এবং আন্দোলন-সংগ্রামের চিরন্তন আঁতুরঘর হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকার বুকে প্রকাশ্য দিবালোকে এক বাঙালি যুবককে পাকিস্তানি দম্পতি কর্তৃক মারধর করার এক অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক, ধিক্কারজনক ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। আজ সকালে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত এই বিদ্যাপীঠের ঠিক সামনেই এক বাঙালি মোটরবাইক আরোহীর ওপর এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনাটি ঘটে, যার একটি ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই বাঙালি যুবক জানান, তিনি নিজের বাইক নিয়ে রাস্তা দিয়ে আসছিলেন, ঠিক তখনই তাঁর পেছনে থাকা ওই পাকিস্তানি দম্পতির গাড়িটি এসে তাঁর বাইকে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা দেয়। শুধু ধাক্কা দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, বরং ধাক্কা দিয়ে বাইকসহ যুবকটিকে ঠেলে বেশ কিছুটা সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। চরম মৃত্যুর মুখ থেকে কোনোমতে বেঁচে ফিরে ওই যুবক গাড়িটি থামালে, গাড়ি থেকে নেমে ওই পাকিস্তানি নাগরিক উল্টো ক্ষিপ্ত হয়ে বাঙালি যুবককে বেদম মারধর শুরু করে এবং প্রকাশ্য রাস্তায় একের পর এক থাপ্পড় মারতে থাকে। স্বাধীন বাংলাদেশের হৃদপিণ্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একাত্তরের পরাজিত শক্তির এমন দুঃসাহসিক ও ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণে ক্ষুব্ধ নেটিজেন এবং সচেতন নাগরিক সমাজ তীব্র প্রশ্ন তুলে বলছেন—স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পরেও দেশের মাটিতে বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানিদের এমন চড়াও হওয়ার সাহস কীভাবে হয়? ৭১-এর সেই রক্তচোষা শকুনরা কি তবে আবারও এই বাংলায় ডানা মেলার দুঃসাহস দেখাচ্ছে?

আপনার মতামত লিখুন