আগামী ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গৌরবোজ্জ্বল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা অভিমুখে এক নজিরবিহীন লংমার্চ ও রাজপথের পূর্ণ দখল পুনরুদ্ধারের মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দলটির হাইকমান্ড ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলো। রাজনৈতিক অঙ্গনের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এবং দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে এই প্রথম রাজপথে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি ও অস্তিত্বের জানান দিতে কেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা এবং তৃণমূল স্তরের নেতাকর্মীদের ঢাকায় জড়ো করার এক সর্বাত্মক মহাযজ্ঞ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে, ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর মতো রাজপথের নতুন সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ২৩ জুন ঢাকার ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার, সেখানে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি প্রদর্শনের যে সাহসী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে, তার সাথে একাত্ম হয়ে যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ঢাকা দখলের এই মেগা মিশন সফল করতে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক শোডাউন তৈরি করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য, যা জুলাই-আগস্টের পর দলটির জন্য এক বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক পুনরুত্থান হিসেবে গণ্য হবে।
আওয়ামী লীগের এই ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ ও সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রবীণ ও প্রভাবশালী নেতাদের সমন্বয়ে একাধিক শক্তিশালী সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিগুলো দেশব্যাপী তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত সমন্বয় সভা, প্রচার-প্রচারণা এবং ঢাকা যাত্রার সর্বশেষ গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করছে। বিশেষ করে দেশের প্রধান প্রধান জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলো থেকে নেতাকর্মীরা কীভাবে ঢাকায় প্রবেশ করবেন এবং রাজধানীর বুকে মিছিল-সমাবেশের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক বজায় রেখে সম্ভাব্য সংঘাত এড়ানো যায়, তা এই কমিটিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে। দলের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের যে কোনো মূল্যে ২৩ জুন ঢাকার রাজপথে অবস্থান নেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে তৃণমূলের মাঝে এক অভূতপূর্ব আবেগীয় ও রাজনৈতিক বয়ান তৈরি হয়েছে।
এদিকে, ২৩ জুনের এই ‘ঢাকা চলো’ মেগা কর্মসূচি ও ঢাকা দখলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশাসনিক, গোয়েন্দা এবং রাজনৈতিক মহলে চরম জল্পনা-চলতি জল্পনা এবং এক রণক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াত ও এনসিপির মতো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের রাজপথের অবস্থান এবং আওয়ামী লীগের এই মরণপণ কামড়াধাক্কার আশঙ্কায় সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগামী ২১ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত সমগ্র ঢাকা শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছে। এদিন রাজধানীতে ১৮ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও রাজধানীর প্রবেশদ্বারগুলোসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ জাতীয় ডেস্ক, পলিটিক্যাল ক্রাইম সেল ও ইনভেস্টিগেশন টিম বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের বর্তমান পরিস্থিতি, ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর ঘোষিত কর্মসূচি এবং ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিরাপত্তা বলয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও সংঘাতের গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।
বিষয় : আওয়ামীলীগ শেখ হাসিনা ঢাকা

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
আগামী ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গৌরবোজ্জ্বল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা অভিমুখে এক নজিরবিহীন লংমার্চ ও রাজপথের পূর্ণ দখল পুনরুদ্ধারের মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দলটির হাইকমান্ড ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলো। রাজনৈতিক অঙ্গনের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এবং দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে এই প্রথম রাজপথে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি ও অস্তিত্বের জানান দিতে কেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা এবং তৃণমূল স্তরের নেতাকর্মীদের ঢাকায় জড়ো করার এক সর্বাত্মক মহাযজ্ঞ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে, ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর মতো রাজপথের নতুন সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ২৩ জুন ঢাকার ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার, সেখানে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি প্রদর্শনের যে সাহসী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে, তার সাথে একাত্ম হয়ে যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ঢাকা দখলের এই মেগা মিশন সফল করতে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক শোডাউন তৈরি করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য, যা জুলাই-আগস্টের পর দলটির জন্য এক বড় ধরনের মনস্তাত্ত্বিক পুনরুত্থান হিসেবে গণ্য হবে।
আওয়ামী লীগের এই ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ ও সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রবীণ ও প্রভাবশালী নেতাদের সমন্বয়ে একাধিক শক্তিশালী সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিগুলো দেশব্যাপী তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত সমন্বয় সভা, প্রচার-প্রচারণা এবং ঢাকা যাত্রার সর্বশেষ গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করছে। বিশেষ করে দেশের প্রধান প্রধান জেলা ও বিভাগীয় শহরগুলো থেকে নেতাকর্মীরা কীভাবে ঢাকায় প্রবেশ করবেন এবং রাজধানীর বুকে মিছিল-সমাবেশের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক বজায় রেখে সম্ভাব্য সংঘাত এড়ানো যায়, তা এই কমিটিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে। দলের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের যে কোনো মূল্যে ২৩ জুন ঢাকার রাজপথে অবস্থান নেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে তৃণমূলের মাঝে এক অভূতপূর্ব আবেগীয় ও রাজনৈতিক বয়ান তৈরি হয়েছে।
এদিকে, ২৩ জুনের এই ‘ঢাকা চলো’ মেগা কর্মসূচি ও ঢাকা দখলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশাসনিক, গোয়েন্দা এবং রাজনৈতিক মহলে চরম জল্পনা-চলতি জল্পনা এবং এক রণক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াত ও এনসিপির মতো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের রাজপথের অবস্থান এবং আওয়ামী লীগের এই মরণপণ কামড়াধাক্কার আশঙ্কায় সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগামী ২১ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত সমগ্র ঢাকা শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছে। এদিন রাজধানীতে ১৮ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও রাজধানীর প্রবেশদ্বারগুলোসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ জাতীয় ডেস্ক, পলিটিক্যাল ক্রাইম সেল ও ইনভেস্টিগেশন টিম বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের বর্তমান পরিস্থিতি, ‘বাংলাদেশ মুক্তির ডাক-৭১’-এর ঘোষিত কর্মসূচি এবং ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিরাপত্তা বলয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকি ও সংঘাতের গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও প্রতিমুহূর্তে অনুসন্ধান করছে।

আপনার মতামত লিখুন