গত জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সাহসী যোদ্ধা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজপথ কাঁপানো আপসহীন নেতা শাকিব হাসান রঞ্জুর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অবদান ও ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে দলের হাইকমান্ডে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সেই রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রাজধানী ঢাকার অন্যতম ডেঞ্জার জোন ও উত্তপ্ত পয়েন্ট হিসেবে পরিচিত 'যাত্রাবাড়ী' এলাকায় শাকিব হাসান রঞ্জুর রণকৌশল ও রাজপথ আগলে রাখার অবস্থান ছিল আক্ষরিক অর্থেই চোখে পড়ার মতো। প্রশাসনের মরণকামড় ও বুলেটের তোয়াক্কা না করে ছাত্র-জনতার জীবন রক্ষায় এবং স্বৈরাচার পতনের একদফা আন্দোলন সফল করতে তিনি প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শুধু জুলাই অভ্যুত্থানই নয়, বরং বিগত দীর্ঘ দেড় দশক ধরে বিএনপির প্রতিটি দুঃসময়ে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে, রাজপথের প্রতিটি মিছিল, মিটিং, সভা ও সমাবেশে স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে শাকিব হাসান রঞ্জুর সরব ও লড়াকু উপস্থিতি দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করেছে। তৎকালীন আওয়ামী প্রশাসনের রক্তচক্ষু, একের পর এক রাজনৈতিক মামলা এবং জেল-জুলুমের ভয় উপেক্ষা করে প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল করতে তিনি সবসময় অগ্রভাগে থেকেছেন।
দলীয় অভ্যন্তরীণ সূত্র ও রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করে জানা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রভাবশালী সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান নয়নদের মতো শীর্ষ ও দক্ষ নেতাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে কঠিনতম সময় পার করেছেন শাকিব হাসান রঞ্জু। তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমান সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী নির্দেশে স্বৈরাচারী প্রশাসনের সমস্ত নির্যাতন ও হামলা রুখে দিতে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বিশ্বস্ত ও সাহসী সহযোগী হিসেবে মাঠপর্যায়ে ভূমিকা রেখেছেন। ২০২৬ সালের এই নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির নতুন পূর্ণাঙ্গ মেগা কমিটি গঠিত হতে যাচ্ছে এবং একই সাথে ঢাকা মহানগর এলাকাতেও শক্তিশালী নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই আসন্ন কমিটিতে পদায়নের বিষয়ে একান্ত আলাপকালে অত্যন্ত বিনয়ী ও ত্যাগী কর্মী শাকিব হাসান রঞ্জু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমার ব্যক্তিগত কোনো বড় চাহিদা বা লোভ নেই। আমার একমাত্র নেতা হলেন দেশনায়ক তারেক রহমান; তিনি আমাকে যেখানে যেভাবে মূল্যায়ন করবেন, আমি সেখানেই সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবো। দলের চরম দুঃসময়ে জীবন বাজি রেখে কাজ করেছি, আমার শতভাগ বিশ্বাস যে দল অবশ্যই আমাদের মতো নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের ত্যাগের মূল্যায়ন করবে।”
পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের কৃতি সন্তান শাকিব হাসান রঞ্জু। তৃণমূল থেকে উঠে আসা পাবনার এই সাহসী ও লড়াকু সন্তানকে কেন্দ্র করে এখন তাঁর নিজ এলাকা সুজানগরসহ পুরো পাবনাবাসীর মনে একটাই মেগা প্রশ্ন ও গভীর কৌতূহল—আসন্ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কিংবা ঢাকা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে কি এই দুঃসময়ের কান্ডারি ও সাহসী কর্মীকে যোগ্য সম্মান দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে? নাকি কালের পরিক্রমায় ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতির মারপ্যাঁচে হারিয়ে যাবেন শাকিব হাসান রঞ্জুর মতো রাজপথের লড়াকু সৈনিকেরা? যদিও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নীতি-নির্ধারণী ফোরাম তথা স্থায়ী কমিটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সময়ে বারবার অত্যন্ত জোরালোভাবে বলে আসছেন যে, নতুন বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থায় এবং দলের প্রতিটি স্তরে বিগত স্বৈরাচারী আমলের চরম দুঃসময়ে রাজপথে মার খাওয়া, মামলা-হামলার শিকার হওয়া এবং জুলাই অভ্যুত্থানে জীবন বাজি রাখা প্রকৃত ত্যাগীদেরই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও মূল্যায়ন করা হবে। এখন দেখার বিষয়, দেশনায়ক তারেক রহমান স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে এই সাহসী ও পরীক্ষিত কর্মীকে কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে পাবনাবাসীর ও তৃণমূলের প্রত্যাশা পূরণ করেন। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ রাজনৈতিক সেল ও তৃণমূল জাতীয় উইং স্বেচ্ছাসেবক দলের আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রতি মুহূর্তের সর্বশেষ লবিং, পদায়ন ও তারেক রহমানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
গত জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সাহসী যোদ্ধা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজপথ কাঁপানো আপসহীন নেতা শাকিব হাসান রঞ্জুর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অবদান ও ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে দলের হাইকমান্ডে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সেই রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রাজধানী ঢাকার অন্যতম ডেঞ্জার জোন ও উত্তপ্ত পয়েন্ট হিসেবে পরিচিত 'যাত্রাবাড়ী' এলাকায় শাকিব হাসান রঞ্জুর রণকৌশল ও রাজপথ আগলে রাখার অবস্থান ছিল আক্ষরিক অর্থেই চোখে পড়ার মতো। প্রশাসনের মরণকামড় ও বুলেটের তোয়াক্কা না করে ছাত্র-জনতার জীবন রক্ষায় এবং স্বৈরাচার পতনের একদফা আন্দোলন সফল করতে তিনি প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শুধু জুলাই অভ্যুত্থানই নয়, বরং বিগত দীর্ঘ দেড় দশক ধরে বিএনপির প্রতিটি দুঃসময়ে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে, রাজপথের প্রতিটি মিছিল, মিটিং, সভা ও সমাবেশে স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে শাকিব হাসান রঞ্জুর সরব ও লড়াকু উপস্থিতি দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করেছে। তৎকালীন আওয়ামী প্রশাসনের রক্তচক্ষু, একের পর এক রাজনৈতিক মামলা এবং জেল-জুলুমের ভয় উপেক্ষা করে প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল করতে তিনি সবসময় অগ্রভাগে থেকেছেন।
দলীয় অভ্যন্তরীণ সূত্র ও রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করে জানা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রভাবশালী সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান নয়নদের মতো শীর্ষ ও দক্ষ নেতাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে কঠিনতম সময় পার করেছেন শাকিব হাসান রঞ্জু। তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বর্তমান সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট ও দূরদর্শী নির্দেশে স্বৈরাচারী প্রশাসনের সমস্ত নির্যাতন ও হামলা রুখে দিতে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বিশ্বস্ত ও সাহসী সহযোগী হিসেবে মাঠপর্যায়ে ভূমিকা রেখেছেন। ২০২৬ সালের এই নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির নতুন পূর্ণাঙ্গ মেগা কমিটি গঠিত হতে যাচ্ছে এবং একই সাথে ঢাকা মহানগর এলাকাতেও শক্তিশালী নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই আসন্ন কমিটিতে পদায়নের বিষয়ে একান্ত আলাপকালে অত্যন্ত বিনয়ী ও ত্যাগী কর্মী শাকিব হাসান রঞ্জু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমার ব্যক্তিগত কোনো বড় চাহিদা বা লোভ নেই। আমার একমাত্র নেতা হলেন দেশনায়ক তারেক রহমান; তিনি আমাকে যেখানে যেভাবে মূল্যায়ন করবেন, আমি সেখানেই সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবো। দলের চরম দুঃসময়ে জীবন বাজি রেখে কাজ করেছি, আমার শতভাগ বিশ্বাস যে দল অবশ্যই আমাদের মতো নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের ত্যাগের মূল্যায়ন করবে।”
পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের কৃতি সন্তান শাকিব হাসান রঞ্জু। তৃণমূল থেকে উঠে আসা পাবনার এই সাহসী ও লড়াকু সন্তানকে কেন্দ্র করে এখন তাঁর নিজ এলাকা সুজানগরসহ পুরো পাবনাবাসীর মনে একটাই মেগা প্রশ্ন ও গভীর কৌতূহল—আসন্ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কিংবা ঢাকা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে কি এই দুঃসময়ের কান্ডারি ও সাহসী কর্মীকে যোগ্য সম্মান দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে? নাকি কালের পরিক্রমায় ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতির মারপ্যাঁচে হারিয়ে যাবেন শাকিব হাসান রঞ্জুর মতো রাজপথের লড়াকু সৈনিকেরা? যদিও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নীতি-নির্ধারণী ফোরাম তথা স্থায়ী কমিটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সময়ে বারবার অত্যন্ত জোরালোভাবে বলে আসছেন যে, নতুন বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থায় এবং দলের প্রতিটি স্তরে বিগত স্বৈরাচারী আমলের চরম দুঃসময়ে রাজপথে মার খাওয়া, মামলা-হামলার শিকার হওয়া এবং জুলাই অভ্যুত্থানে জীবন বাজি রাখা প্রকৃত ত্যাগীদেরই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও মূল্যায়ন করা হবে। এখন দেখার বিষয়, দেশনায়ক তারেক রহমান স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে এই সাহসী ও পরীক্ষিত কর্মীকে কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে পাবনাবাসীর ও তৃণমূলের প্রত্যাশা পূরণ করেন। বেঙ্গলি জার্নালের বিশেষ রাজনৈতিক সেল ও তৃণমূল জাতীয় উইং স্বেচ্ছাসেবক দলের আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রতি মুহূর্তের সর্বশেষ লবিং, পদায়ন ও তারেক রহমানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের গতিপ্রকৃতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

আপনার মতামত লিখুন