প্রিন্ট এর তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
কেঁদে ফেললেন মেসি, এভাবে কখনো জেতেনি আর্জেন্টিনা
||
কখনো দুই গোলে পিছিয়ে, কখনো পেনাল্টি মিস। একসময় বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ও যেন চোখের সামনে দেখতে হচ্ছিল লিওনেল মেসিকে। অথচ শেষ বাঁশি বাজার কয়েক মুহূর্ত পর সেই মেসিকেই দেখা গেল দুই মুঠো হাত শক্ত করে চোখের জল লুকাতে না পেরে কেঁদে ফেলতে।
২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মিসরকে ৩–২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ২–০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও শেষ ১১ মিনিটে তিন গোল করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন গড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই নাটকীয় জয়ের আবেগই যেন ধরে রাখতে পারেননি দলের অধিনায়ক।
ম্যাচজুড়ে মেসির জন্য দিনটা সহজ ছিল না। প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। পরে তাঁর একটি ফ্রি-কিক পোস্টে লাগে। মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইরও একের পর এক সেভ করে আর্জেন্টিনাকে হতাশ করেন। কিন্তু দল যখন ২–০ ব্যবধানে পিছিয়ে, তখনই প্রত্যাবর্তনের সূচনা করেন মেসি। প্রথমে ক্রিস্তিয়ান রোমেরোর গোলে অ্যাসিস্ট করেন, এরপর নিজেই সমতার গোল করেন। যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের জয়সূচক গোলে পূর্ণতা পায় আর্জেন্টিনার অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে দুই গোলে পিছিয়ে থেকে কখনো জয় পায়নি আর্জেন্টিনা।
শেষ বাঁশি বাজতেই আবেগের বাঁধ ভেঙে যায় মেসির। দুই হাত মুঠো করে তিনি আনন্দে চিৎকার করেন, এরপর আর চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই সতীর্থরা ছুটে এসে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। জয়ের উল্লাসে অনেকের চোখেই তখন আনন্দাশ্রু।
ফুটবলে মেসির অর্জনের তালিকা দীর্ঘ। কিন্তু খাদের কিনারা থেকে ফিরে এমন এক জয়, যেখানে তিনি একই ম্যাচে পেনাল্টি মিস করেছেন, আবার দলকে সমতায়ও ফিরিয়েছেন—সেই রাতের আবেগ যে তাঁর কাছেও ছিল অন্য রকম, শেষ বাঁশির পরের দৃশ্যটাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
প্রধান নির্বাহী পরিচালকঃ সাব্বির আহমেদ সায়েম।
ইমেইলঃ bengalijournal.editor@gmail.com
Copyright © 2026 Bengali Journal